প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে তার ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে হেফাজতে ইসলাম একাত্তরের জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েছে।
শনিবার রাতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ১২ বছর’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ জয় এ কথা বলেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরীর সঞ্চালনায় এই ওয়েবিনারে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছি, এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশকে একটি আধুনিক উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছি, করে ফেলেছি। তবে এখানে দুঃখের বিষয় একটি সতর্কতায় আমি শেষ করতে চাই, সেটা হল যে, একটা শ্রেণি আছে আমাদের দেশে- তারা ইতোমধ্যে খুব মাথা উঁচু করেছে দেশকে পিছিয়ে নেওয়ার চেষ্টায়। তারা হুমকি দিচ্ছে বাংলাদেশকে আফগানিস্তান বানিয়ে দেবে।
তিনি বলেন, তাদের আমরা কী বলি? তাদের আমরা কী ডাকি? তাদের আমরা রাজাকার ডাকি। একাত্তরে ছিল জামায়াত আর এখন হেফাজতও সেই নতুন রাজাকার হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয় বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে তারা সাহস করেছে জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙার। জাতির পিতার ওপর হামলা করাটা কী? এটা হচ্ছে আমাদের স্বাধীনতার চেতনার ওপর হামলা। আমাদের স্বাধীনতার চেতনার ওপর হামলা কারা করেছে, যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আবার সেই একটি মান্ধাতার আমলের দেশ হয়ে যাব? সেটা আমরা হতে দেব না। আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন আছে আমরা সেটা হতে দেব না। আমাদের তরুণ-তরুণীদের পক্ষে আমি বলতে চাই, এই মৌলবাদী শক্তিকে আমাদের মুছে ফেলতে হবে।
জয় বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে, বাংলাদেশকে আধুনিক করেছে। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল করছে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে। রাজাকারদেরকে মোকাবেলা আওয়ামী লীগ করতে জানে।