পথের ভোগান্তি মাথায় রেখেই স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছেন বলে জানান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় তীব্র যানজটে আটকা পড়া যাত্রী জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, ভোর ৫টায় মাইক্রোবাসে করে তিন ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে রওয়ানা দিয়েছেন। বাড়ি কুমিল্লার লালমাই।
একই সময়ে ঘরমুখী শত শত মানুষ বিভিন্ন পরিবহনে গ্রামের বাড়ি ফিরছেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ বেড়ে গেছে দেখা দিয়েছে দীর্ঘ যানজট।
আজ বুধবার ভোর থেকে নারায়ণগঞ্জের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ ভ্যান, ট্রাকসহ বিভিন্ন মালবাহী গাড়ির চাপ লক্ষ করা যাচ্ছে। এতে কাঁচপুর থেকে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ১৫ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানজটে আটকে অতিষ্ঠ হয়ে বাড়ির পথে ব্যাকুল হয়ে তাকিয়ে রয়েছেন। মালবাহী পিকআপভ্যানে গাদাগাদি করে বসে আছে নিম্ন আয়ের মানুষ।
চালক মিহিনল্লাহ বলেন, ঈদ সামনে রেখে মহাসড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মদনপুর থেকে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজা পৌঁছাতে তাঁর প্রায় চার ঘণ্টা সময় লেগেছে।
সকাল নয়টার দিকে সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডে যানজটে আটকে থাকা দাউদকান্দির কামাল বললেন, স্ত্রী, পুত্র ও দুই কন্যাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি দাউদকান্দি রওনা হন ভোর পাঁচটায়। ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গাড়িতে ওঠে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা আসতে পাঁচ ঘণ্টা সময় লেগেছে। বাকি পথের ভোগান্তি মাথায় রেখেই আপনজনের সঙ্গে ঈদ করতে যাচ্ছেন তারা।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, অতিরিক্ত গাড়ির চাপের মধ্যে মেঘনা সেতুর টোল প্লাজায় টোল আদায়ে কিছুটা ধীরগতির কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহাসড়কে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে ।