পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে জিততে বিজেপি রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য নতুন করে নিয়োগ করছে ২৯৪ জন গেরুয়া সৈনিক। এই গেরুয়া সৈনিকরা হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ, রাজ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় বিজেপির নেতা। তাঁরা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবেন, প্রচার করবেন।
আসন্ন রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার নির্বাচনী লড়াই জমে উঠেছে দুই শক্তিশালী রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে। ইতিমধ্যে এই দুই শক্তিশালী দলের শীর্ষ নেতারা মাঠে নেমে একে অপরের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। দুই দলই দাবি করেছে তারাই একুশেতে ক্ষমতায় আসছে। ফলে এই দাবি ও পাল্টা দাবি নিয়ে এখন এই করোনা আবহের মধ্যে জমে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল-বিজেপির নির্বাচনী লড়াই। সবারই লক্ষ্য এক, এবার রাজ্য সচিবালয় নবান্ন দখল করতে হবে তাদের দলের। আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলে এই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার ২৯৪টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা।
বিজেপি ইতিমধ্যে এই নির্বাচনে জেতার লক্ষ্যে রাজ্যে নিয়োগ করেছে সাত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্য মন্ত্রী ও নেতাকে। তারাই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে ইতিমধ্যে এই রাজ্যে এসে কাজও শুরু করেছেন। এই কেন্দ্রীয় সাত পর্যবেক্ষক হলেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য এবং পাঁচ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যথাক্রমে অর্জুন মুন্ডা, সঞ্জীব কুমার বালিয়ান, গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, মনসুখ মান্ডব্য এবং প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল। আর শেষোক্ত জন হলেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র।
বিজেপি এবার এই নির্বাচনে কম করে ২০০ আসনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছে। সে কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একই সঙ্গে এই ঘোষণাকে বাস্তবায়িত করার জন্য ইতিমধ্যে রাজ্যস্তরের বিজেপির নেতা কর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছেন।