শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন

পুরান ঢাকায় ইফতার বাজারে হাঁকডাক নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৫ জন নিউজটি পড়েছেন
ইফতারে বেড়েছে ফলের কদর

করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশে সপ্তাহব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। এরমধ্যে ঢাকা ছেড়েছে অর্ধকোটি মানুষ। ফলে পুরান ঢাকা আগের তুলনায় কিছুটা ফাঁকা। হাতেগোনা দুই একটা স্থায়ী দোকান ছাড়া প্যান্ডেলে শামিয়ানা টানিয়ে এবার অস্থায়ী কোনো ইফতারের দোকান বসেনি পুরান ঢাকায়। যে কারণে নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাক।

বিশেষ করে সমগ্র ঢাকার মানুষেরাই পুরান ঢাকার ইফতারের আলাদা একটা কদর করেন। আর এ এলাকার মানুষের ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ ছাড়া ইফতার যেন জমেই না। তবে এবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের দেওয়া লকডাউনে পুরান ঢাকার চকবাজারে বসেনি ইফতারের বাজার।

চকবাজারের বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, গত দুই বছর ধরে ইফতারের দোকান বসাতে পারছেন না। গত দুই বছর আগে রোজা আসলেই তিনি ইফতারের দোকান বসাতেন। সেখান থেকে যা আয় হত তাই দিয়ে সংসার চালানোর পাশাপাশি ঈদের বাজার করতেন। কিন্তু এখন প্রায় বসেই দিন পার করতে হচ্ছে তাকে।

শুধুমাত্র স্বল্প পরিসরে ইফতারসামগ্রী বিক্রি করছে পুরান ঢাকার কিছু হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। রমজানের প্রথম দিন বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকায় বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে। ফুটপাত কিংবা হোটেলের সামনে প্যান্ডেলে শামিয়ানা টানিয়ে পসরা সাজিয়ে ইফতারি বিক্রি করতে দেখা যায়নি কাউকে।

করোনা মহামারির কারণে গতবছরের ন্যায় এবারও ফুটপাতে বসেনি ইফতারের পসরা। শুধু মাত্র স্বল্প পরিসরে হোটেলে বিক্রি হচ্ছে ইফতার। ফুটপাতে কোনো ইফতারি বিক্রি হচ্ছে না।

প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ইফতারের জন্য ফুটপাতের দোকানগুলোর ওপর নির্ভরশীল ছিল। নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে একেবারে নিম্ন আয়ের ভাসমান মানুষ ফুটপাত থেকে ইফতার ক্রয় করতেন। দুই বছর করোনার কারণে মৌসুমী ইফতার সামগ্রী বিক্রেতারা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত তেমনি সাধারণ ক্রেতারাও ফুটপাত থেকে ইফতার সামগ্রী ক্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English