রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদ করিম এমন কোনো প্রতারণা করেননি যা বাকি রয়েছে। তিনি প্রতারণা জগতের আইডল।
সাহেদ শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়েও খেলেছেন। তাদের জাল সার্টিফিকেট দিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন করেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব সদর দপ্তরে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য দেওয়া হয়।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলেন, প্রতারণাকে কিভাবে ব্যবহার করে সরল সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঠকবাজি করে একটা পর্যায়ে আসা যায় তার অনন্য দৃষ্টান্ত সাহেদ।
সাহেদ যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন বলে জানান আশিক বিল্লাহ।
তিনি বলেন, সাহেদ সম্পর্কে নতুন নতুন অনেক অভিযোগ আসছে। সর্বশেষ অভিযোগ এসেছে রিজেন্ট কলেজ বা রিজেন্ট ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে। অনুমোদনহীন এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তিনি জাল সার্টিফিকেট দিয়েছেন। ফলে শুধু শিক্ষার্থীদের জীবনই নষ্ট হয়নি, ব্যক্তিজীবনও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে আশিক বিল্লাহ বলেন, সাহেদ যেন পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য ইমিগ্রেশন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে।
সাহেদের টিমে যারা অস্ত্র ব্যবহার করতেন, তাদের সম্পর্কেও অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক চেক জালিয়াতির ক্ষেত্রে অনন্য পন্থা অনুসরণ করতেন। যা ব্যাংক কর্মকর্তাদেরও বিস্মিত করেছে।
আশিক বিল্লাহ বলেন, সাহেদ একাধিক চেকে বিভিন্ন ধরণের স্বাক্ষর করতেন। উনি বৈধ চেকে অবৈধ স্বাক্ষর করতেন। ফলে পাওনাদাররা যেসব চেক পেয়েছে সব চেক ডিজঅনার হয়েছে।