চলচ্চিত্রের চাইতে সংস্কৃতির বড় কোনো মাধ্যম নেই। শাবানা, কবরী, ববিতা ম্যাডামদের ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই সিনেমায় এসেছি। সবসময় তাদের অনুসরণ করেছি। এই মাধ্যমে ভালোবেসে কাজ করতে এসেছি। কাজের প্রতি নিবেদিত ছিলাম। বাইরের জগতে কি হচ্ছে জানতাম না। সত্যি বলছি এখনও বাইরের জগত আমি তেমন চিনি না। শুটিং নিয়েই ব্যস্ত থেকেছি।দেখা গেছে, সকালে আছি এফডিসিতে।
বিকেলে চলে গেছি মানিকগঞ্জ। এমন করেই জীবনটা কেটেছে। আসলে সময়ই পাইনি বাইরের জগত দেখার। চলচ্চিত্রে যারা শিল্পী বিশেষ করে মেয়েদের কথা বলবো, অবশ্যই শালীনতা বজায় রাখতে হবে। নিজের নিরাপত্তার জন্য, ক্যারিয়ারের জন্য। কাজকে ভালোবাসতে হবে। শ্রদ্ধার সাথে যদি কাজ করি তাহলে পয়সা এমনিতেই আসবে। পয়সার পেছনে দৌড়ালে শিল্পী হওয়া যাবে না। একজন চলচ্চিত্র শিল্পীর কীভাবে জীবন পরিচালনা করা উচিত সে সম্পর্কে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রোজিনা। এদিকে, তিনি বর্তমানে নিজ বাসাতেই রয়েছেন। সময় কীভাবে যাচ্ছে? রোজিনা বলেন, করোনার শুরু থেকেই বেশ সাবধানতা অবলম্বন করছি। বাসাতেই থাকার চেষ্টা করেছি। প্রয়োজন ছাড়া বের হইনি। তবে বাসায় থাকলেও ঘরের কাজে সময় চলে যায়। আর অবসর সময়ে সিনেমা-নাটক দেখি, বই পড়ি। করোনার টিকা নেয়া হয়েছে? রোজিনা বলেন, শুরুর দিকেই নিয়েছি। দুই ডোজই নেয়া হয়েছে। এদিকে প্রথমবার ছবি পরিচালনা করছেন রোজিনা। সরকারি অনুদানে নির্মিত এ ছবির নাম ‘ফিরে দেখা’। সেই ছবির কাজের অগ্রগতি কী? রোজিনা বলেন, গত মার্চে রাজবাড়ীর বিভিন্ন লোকেশনে ছবির সিংহভাগ শুটিং শেষ করেছি। আউটডোরের কাজগুলো এরমধ্যে শেষ করলেও ইনডোরের কয়েকটি দৃশ্যের শুটিং বাকি আছে। আগামী মাসে বাকি শুটিং করবো ইনশাআল্লাহ। যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে আমি সন্তুষ্ট। আশা করি দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।