ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যানবাহন চলাচল কমতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন যে পরিমাণে ট্রাক, পিকআপ, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেল চলাচল করেছে, আজ তা অনেক কম। তবে মহাসড়কে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার বাস দেখা গেছে।
সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার পর্যন্ত টাঙ্গাইলের মির্জাপুর বাইপাস বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা খুবই কম। মহাসড়কে প্রতি মিনিটে গড়ে পাঁচ থেকে ছয়টি ট্রাক-পিকআপ ও দুটি বাস চলছে। এর মধ্যে ঢাকা শহরে চলাচলকারী সাভার পরিবহন, আজমেরী গ্লোরী, মৌমিতা পরিবহনসহ বিভিন্ন নামের বাস চলছে। উত্তরাঞ্চল থেকে ঢাকার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পরিবহন, সৈয়দপুরের রাকিব এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন নামের বাস চোখে পড়ে। উত্তরাঞ্চলের দিকে নীলফামারীর ময়নুল পরিবহন, কুড়িগ্রামের ইউনাইটেড পরিবহন, দিনাজপুরের শিমু শাহেদ পরিবহন, বগুড়ার সোমা পরিবহন ও তয়েজ পরিবহন চলতে দেখা গেছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল কমে গেছে। তবে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও ঢাকা শহরের কিছু বাস চলতে দেখা যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মির্জাপুর বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকায়
মির্জাপুর বাইপাস বাসস্ট্যান্ডে বগুড়া যাওয়ার জন্য বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন দুজন ধান কাটার শ্রমিক। তাঁরা জানান, সকাল ৮টায় তাঁরা বাসের জন্য দাঁড়িয়েছেন। বাসে ভাড়া বেশি চাচ্ছে। দর-কষাকষি করে পোষায়নি বলে বেলা ১১টার দিকেও বাসে উঠেননি। এখন তাঁরা ট্রাকে চেপে গন্তব্যে যাবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বাবলু মিয়া বলেন, ‘আমি চার দিন মির্জাপুর-নাটিয়াপাড়া-টাঙ্গাইলের দিকে যাত্রী আনা-নেওয়া করছি। এ কদিন রাস্তায় প্রচুর গাড়ি ছিল। গত মঙ্গল ও গতকাল বুধবার রাস্তায় বাস চলছে। তবে আজ রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল খুবই কম। বাস মনে হয় বেশি চলতেছে।’
মির্জাপুর ট্রাফিক পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাক আহমেদ বলেন, রাস্তায় যানবাহন চলাচল খুবই কম। কিছু বাস চলাচল করছে। লোকজনের বাড়ি যাওয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। পুলিশের ব্যস্ততাও কমেছে।