ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে প্রথম এলিমিনেটরে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বেক্সিমকো ঢাকা। সে সঙ্গে টুর্নামেন্টে বেদনাতুর সমাপ্তি হলো বরিশালের। জয়ের খুব কাছে গিয়েও হেরেছে তামিম ইকবালের দল। সোমবার ঢাকা ম্যাচটি জিতেছে ৯ রানে। মুশফিক-ইয়াসিরদের ১৫০ রানের জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট খুইয়ে ১৪১ তুলতে সক্ষম হয়েছে বরিশাল। প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে জয়ী দলের বিপক্ষে সোমবার ফাইনালে যাওয়ার মুখোমুখি হবে ঢাকা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সাড়ে ৪টায়।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রবিবার টস হেরে ব্যাট করতে নামে বেক্সিমকো ঢাকা। এলিমিনেটরের গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে ঢাকার টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানই ব্যর্থ হন। দুই ওপেনারের মধ্য নাঈম শেখ ৫ ও সাব্বির রহমান ৮ রানে আউট হন। তিন নম্বরে খেলতে নামা আল আমিন নামের পাশে কোনো রান না তুলেই বিদায় নেন। দলের অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম এদিন নিজের কাজ করেছেন। ডিপেন্ডিং ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত এ তারকা ঠাণ্ডা মাথায় খেলেন ৪৩ রানের ইনিংস। ৩০ বলে ৪ চার ও এক ছয়ের মার খেলার পর কামরুল ইসলামের বলে কামরুলকেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
ঢাকার সর্বোচ্চ ৫৪ রান এসেছে ইয়াসির আলির ব্যাট থেকে। ৪৩ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ের মারে সাজানো ছিল ইয়াসির আলির ইনিংসটি। শেষ দিকে আকবর আলির ৯ বলে ২১ রানের সুবাদে ১৫০ রানের সংগ্রহ পায় ঢাকা। বাকিদের মধ্য মুক্তার আলি ৬ ও রবিউল ইসলাম ৫ রান করেছেন। বরিশালের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও কামরুল ইসলাম রাব্বি। একটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও সোহরাওয়ার্দি শুভ।
জবাব দিতে নেমে দলীয় ২১ রানে সাইফ হাসানের উইকেট হারায় ফরচুন বরিশাল। পারভেজ হোসেন ইমন করেন মাত্র ২ রান। দলীয় ৫৯ রানে ব্যক্তিগত ২২ রানে ফিরে যান বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবালও। মুক্তার আলির বলে আকবর আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। বরিশালের হয়ে এদিন সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি আসে অলরাউন্ডার আফিফ হোসেন ধ্রুবর ব্যাট থেকে। ৩৫ বলে ৫৫ রান করে শফিকুল ইসলামের শিকারে পরিণত হন তিনি।
আফিফের আগে ফিরে যান তৌহিদ হৃদয় ও শুভ। হৃদয় ১২ রান করলেও শুভ কোনো রানই তুলতে পারেননি। শেষ দিকে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও মেহেদি হাসানরা প্রচেষ্টা চালালেও জয়ের বন্দরে নোঙর করা হয়নি বরিশালের। ১৪১ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। মাহিদুল ৮ বলে করেন ১৫ রান। মেহেদি হাসান ১৫ ও সুমন খান করেন ৫ রান। ঢাকার হয়ে তিনটি করে উইকেট শিকার করেন শফিকুল ও মুক্তার আলি। দুুই উইকেট নেন আল আমিন। রবিউল নেন একটি উইকেট। ম্যাচসেরা হন ইয়াসির আলি।