বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন না থাকলে কোনো বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংক ঋণ দেয়া যাবে না। একই সঙ্গে অন্য ধরনের ব্যাংকিং সেবাও দেয়া যাবে না।
কোনো বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংকিং সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন আছে কি না, সে বিষয়টি ব্যাংকগুলোতে নিশ্চিত হতে হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বস্ত্র আইন-২০১৮ ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী অধিদফতরের নিবন্ধন ছাড়া কোনো বস্ত্রশিল্প পরিচালনা করা যাবে না। ফলে এখন থেকে বস্ত্রশিল্প পরিচালনা করতে হলে অধিদফতর থেকে নিবন্ধন নিতে হবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, কতিপয় বায়িং হাউসসহ অন্যান্য বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন ছাড়াই বেআইনিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
তারা আন্তর্জাতিক বাজারে নানাভাবে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে আভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন না থাকায় ওইসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না।
বস্ত্র আইনে কোনো ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান বস্ত্র অধিদফতরের নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা করতে পারবে না, এর একটি তালিকাও দেয়া হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, দেশের বস্ত্র খাতের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দেশের মানুষের বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করে রফতানি বাড়ানোর জন্য বস্ত্র আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।