রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫৫ জন নিউজটি পড়েছেন

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলায় তদন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে তা জানাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেন। মামলার কারাবন্দি আসামি মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমের জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে এ আদেশ দেন আদালত। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এ আসামির জামিন আবেদনের ওপর শুনানি মূলতবি করা হয়েছে। আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন শংকর প্রসাদ দে। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে হাইকোর্ট গত ২৩ নভেম্বর এক আদেশে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে বলেন। এ আদেশে তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা হাজির হয়ে আদালতকে বলেন-তিনি কিছুদিন আগে তদন্তভার পেয়েছেন। এরপর আদালত উল্লেখিত আদেশ দেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রামে গুলি করে মিতুকে হত্যা করা হয়। খুনিরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। এঘটনায় নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন বাবুল আক্তার। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৬ জুন মো. আনোয়ার ও মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে এ দুইজনের দেওয়া জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের মূল ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে মুছার নাম উঠে আসে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি নগরীর বাকলিয়া এলাকার এহতেশামুল হক ভোলা সরবরাহ করে বলে জবানবন্দীতে বলা হয়। মুছা ও ভোলা এসপি বাবুল আক্তারের সোর্স হিসেবে পরিচিত। এরপর পুলিশ ভোলা ও তার সহযোগি মনিরকে একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে মুছার ভাই সাইদুল ইসলাম সাক্কু এবং মো. শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া এ ঘটনায় নুরুল ইসলাম রাশেদ ও নুরুন্নবী নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ওইবছর ৫ জুলাই তারা পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

আর মূল পরিকল্পনাকারী মুছাকে গ্রেপ্তার করা নিয়ে ধুম্রজাল রয়েই গেছে। পুলিশ বলছে মুছা পলাতক। তার সন্ধানদাতাকে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষনা দেয় পুলিশ। তবে মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার ওইবছর ৪ জুলাই সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেন, ওই বছর ২২ জুন বন্দর থানার তৎকালীন ওসি মহিউদ্দিন সেলিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মুছাকে গ্রেপ্তার করে।

স্ত্রী মিতু হত্যার ঘটনা জেরে পুলিশের চাকরি ছাড়তে হয়েছে বাবুল আক্তারকে। ওই হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তার জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। পুলশ তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। এনিয়ে গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। আদালতের নির্দেশে গত জানুয়ারিতে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English