বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ লাখ ২১ হাজারে পৌঁছেছে।
জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৬২ জনে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ২১ হাজার ৭০৯ জনের। আর এ পর্যন্ত সেড়ে উঠেছে ২ কোটি ৩৭ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৫ জন।
বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৯১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৭৯১ জনের।
যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে থাকলেও মৃত্যু বিবেচনায় দেশটির অবস্থান দ্বিতীয়। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৪৮ লাখ ৪৭ হাজার ৯২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮০ জনের।
আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে তৃতীয় স্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ লাখ ১২ হাজার ৫৮৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৯৮ হাজার ৬৭৮ জনের।
মৃত্যু বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী মেক্সিকো চতুর্থ স্থানে থাকলেও আক্রান্ত বিবেচনায় দেশটির অবস্থান ৯ নম্বরে। মেক্সিকোতে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৭৮ হাজার ৭৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭৬ হাজার ৪৩০ জনের।
ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য মৃত্যু বিবেচনায় রয়েছে পঞ্চম স্থানে, তবে আক্রান্তের দিক থেকে দেশটির অবস্থান ১৩তম। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৭৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪২ হাজার ২৯২ জনের।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫০৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে আরও ২১ জনের। সবমিলিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৯৮৭ জনের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। মোট মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ২৭২ জনের। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লাখ ৭৭ হাজার ৭৮ জন।