ব্রাজিলে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশ নেওয়া একজন স্বেচ্ছাসেবকের মৃত্যু হয়েছে।
দেশটির কর্মকর্তারা বুধবার এ কথা জানিয়েছেন। তবে সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিন ট্রায়াল নয়, ওই ব্যক্তি প্লাসেবো গ্রহণ করেছিলেন।
আয়োজকরা বলছেন, এতে নিরাপত্তা শংকা নেই বলে নিরপেক্ষ পর্যালোচনায় বলা হয়েছে। তাই ভ্যাকসিন ট্রায়ালও চলবে।
ভ্যাকসিন ট্রায়ালের সাথে যুক্ত এমন ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রাজিলের পত্রিকা গ্লোবো এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ বলেছে, ওই স্বেচ্ছাসেবক কন্ট্রোল গ্রুপে ছিলেন এবং ভ্যাকসিন টেস্টের পরিবর্তে প্লাসেবো গ্রহণ করেছিলেন।
এদিকে অক্সফোর্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার সতর্ক পর্যালোচনা শেষে জানা গেছে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল নিয়ে কোনো নিরাপত্তা শংকা নেই। এছাড়া নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সুপারিশ করেছে।
উল্লেখ্য, ওষুধ কোম্পানি আস্ট্রাজেনকা ও অক্সফোর্ড যৌথভাবে করোনার ভ্যাকসিনটি তৈরি করছে। এর আগে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যে এক স্বেচ্ছাসেবক এই ভ্যাকসিন গ্রহণের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভ্যাকসিনটির পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ওই স্বেচ্ছাসেবক মারা যায়নি বলে নিরপেক্ষ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল পুনরায় শুরু করা হয়।