বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের পাশাপাশি ভারত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মণিপুরের মানুষের একটি আবেগের জায়গা রয়েছে। তাই বন্ধু রাষ্ট্র বলে কথা তাই বিভিন্ন ঈদ-পূজা উৎযাপনে দুদেশের মাঝে বন্ধুত্ত্বের আদান-প্রদান হয়ে আসছে।
এই তো গত ঈদেও ভারত বাংলাদেশকে ১০টি রেল ইঞ্জিন উপহার হিসেবে পাঠিয়েছিলো। তাই এবার ভারতকে গতবারের চেয়ে ৩ গুণ বেশি ইলিশ উপহার দেবে বাংলাদেশ। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতেই বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ইলিশ রপ্তানি-সংক্রান্ত অনুমতিপত্র সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর হাতে এসেছে। দিল্লি থেকে ‘স্যানিটারি ইমপোর্ট পারমিট’ আদায় করে মাছ দ্রুত এ দেশে আমদানির তোড়জোড় চলছে। এবারও পূজার মৌসুমে ইলিশ রপ্তানির দরজা খুলছে বাংলাদেশ।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, পূজা উপহার হিসেবে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ১৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানো যাবে। ২২ অক্টোবর, দুর্গাপূজার সপ্তমী। গতবার ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানোর ছাড়পত্র মিলেছিল। এবার মোট নয়টি সংস্থাকে কম করে ১৫০ মেট্রিক টন করে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ঢাকা। পশ্চিমবঙ্গের মৎস্যমন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ শুক্রবার বলেন, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ইলিশ আনতে সব রকম সহযোগিতা করছে রাজ্য।হাওড়ার পাইকারি মাছ কারবারি সংগঠনের সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানিয়েছেন, শুক্রবার বাংলাদেশে এবং রবিবার ভারতে ছুটি। এই বাধা কাটিয়ে আগামী সপ্তাহেই ইলিশ আমদানির চেষ্টা চলছে।