ফেসবুক বন্ধের কারণ হিসেবে যোগাযোগ ও তথ্য মন্ত্রণালয় এক চিঠিতে বলেছে, ‘এই মুহূর্তে দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্টকারী লোকজন… ফেসবুক ব্যবহার করে ভুয়া খবর ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে এবং এর ফলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।’
তবে, মিয়ানমারের লোকজন ফেসবুক ব্যবহারের জন্য বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছেন। অনেকে ভিপিএন ব্যবহার করে ফেসুবকে সক্রিয় রয়েছেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নেপিদোর একটি থানা থেকে প্রাপ্ত নথিতে বলা হয়েছে, সু চির বাসভবন অনুসন্ধান করে সামরিক কর্মকর্তারা কয়েকটি রেডিও খুঁজে পেয়েছেন, যেগুলো অবৈধভাবে আমদানি করে বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর থেকেই পুলিশের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অনলাইন সরব হয়ে ওঠেন অনেকে। এ ছাড়া দেশটির সামরিক জান্তার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের সোচ্চার অবস্থান ক্রমেই আরো জোরদার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর খড়গহস্ত হলো মিয়ানমার জান্তা।
এদিকে ফেসবুক বন্ধ করার বিষয়ে মিয়ানমারের শীর্ষ মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর নরওয়ের টেলিনর আসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করা ছাড়া তাদের কোনো উপায় নেই। তবে, ফেসবুক বন্ধ রাখার নির্দেশকে যথার্থ কিংবা প্রয়োজনীয় বলে মনে করছে না টেলিনর কর্তৃপক্ষ।
মিয়ানমারে আরেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার অতটা জনপ্রিয় নয়। আর, টুইটার এখনো খোলাই আছে। এই মুহূর্তে দেশটিতে টুইটারে সিভিল ডিসওবিডিয়েন্ট মুভমেন্ট ও জাস্টিস ফর মিয়ানমার—এ দুটি হ্যাশট্যাগ ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।