শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

মৃত্যু বেড়ে ২৪, মামলা দায়ের

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৫ জন নিউজটি পড়েছেন

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আরো একজন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জন।

শনিবার থেকে রবিবারের মধ্যে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার তল্লা এলাকায় বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে মারা যাওয়াদের মধ্যে মসজিদের মুয়াজ্জিন, ইমাম ও দুই শিশু রয়েছে।

মৃতরা হলেন- ইমাম আবদুল মালেক (৫৫), মো. মিজান ওরফে নিজাম (৪০) ও নাদিম (৪৫), রিফাত (১৮), মোস্তফা কামাল (৩৪), জুবায়ের (১৮), সাব্বির (২১), কুদ্দুস ব্যাপারী (৭২), হুমায়ুন কবির (৭০), ইব্রাহিম (৪৩), মোয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন (৪৮), জুনায়েদ (১৭), জামাল (৪০), জুবায়ের (৭), জুয়েল, রাসেল (৩৪), নয়ন (২৭), রাশেদ (৩০), কাঞ্চন হাওলাদার (৫০), মাইনউদ্দিন (১২) ও বাহারউদ্দিন (৫০), মো. বাহাউদ্দীন (৫৫), জুলহাস উদ্দিন (৩০), শামীম হোসেন (৪৮) ও মোহাম্মদ আলী মাস্টার।

এদিকে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় মসজিদ কমিটি, তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ভবন নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে বর্তমানে বাকি যারা ভর্তি রয়েছেন, তাদের অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন।

তিনি জানান, দগ্ধ অবস্থায় যে ৩৭ জনকে বার্ন ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিলো, তাদের মধ্যে শনিবার রাত ১১টার মধ্যে মারা যান ২১ জন।

শুক্রবার রাতে এশার জামাত শেষে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক মুসল্লি দগ্ধ হন। বিস্ফোরণে মসজিদের ছয়টি এসি পুড়ে যায়। জানালার কাচ উড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বলা হচ্ছে, এসি বিস্ফোরণে এই ঘটনা ঘটে।

বিস্ফোরণে ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হওয়া বায়তুস সালাত জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল গফুর মিয়া বলেন, ‘সাত দিন আগে মসজিদের প্রবেশ কক্ষের মেঝে দিয়ে বুদ্বুদ করে গ্যাস বের হচ্ছিল। ধারণা করছিলাম যে, এই গ্যাস পাশের গ্যাস লাইন লিকেজ হয়ে বের হচ্ছে। তাই নারায়ণগঞ্জে তিতাসের আঞ্চলিক অফিসে গিয়ে গ্যাস লাইন সরিয়ে ফেলার মৌখিক আবেদন করি। অফিসের এক কর্মকর্তা গ্যাস লাইন সরানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চান।’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English