অর্থপাচার মামলায় বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পন না করে ফের জামিনের আবেদন করায় পাঁচ আসামিকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন হাইকোর্ট। পরে শাহবাগ থানার মাধ্যমে সোমবার সন্ধ্যায় আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে জামিনের শর্তপূরণ না করে ফের জামিনের আবেদন করায় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৫ আসামিকে পুলিশে সোপর্দ করার আদেশ দেন।
তারা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মোফাজ্জেল হোসেন মোল্লা, মো. রাহাত হোসেন, আলাউদ্দিন মোল্লা, রমজান আলী এবং পটুয়াখালীর মো. সুমন। এ পাচঁ আসামিকে প্রথমে সুপ্রিম কোর্ট ফাঁড়ি পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এরপর শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের নিয়ে কারাগারে পাঠায়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, রুটি মেকার ও ধূমপান সংক্রান্ত মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে ১ কোটি ৩২ লাখ সিগারেট আমদানি করেন আসামিরা। এর মাধ্যমে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা অর্থ পাচার এবং কাস্টম বিভাগ থেকে ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে রাজস্ব পরিশোধ দেখিয়ে পণ্য খালাস করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। অর্থপাচার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রমনা থানায় মামলাটি করেন ঢাকার কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা নিতাই চন্দ্র মণ্ডল।
এ মামলায় আসামিরা হাইকোর্টে হাজির হয়ে জামিন চাইলে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তাদের চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেন। এই চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পন করতে বলা হয়। কিন্তু আসামিরা এই সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পন না করে ফের হাইকোর্টের ভিন্ন একটি বেঞ্চে জামিনের জন্য আবেদন করেন। বিষয়টি নজরে এলে আদালত তাৎক্ষণিক আসামিদের পুলিশের কাছে তুলে দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফয়সাল হাসান আরিফ।