শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

শিক্ষার দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপে প্রয়োজন আলোচনা

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫০ জন নিউজটি পড়েছেন

দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা বলেছেন, করোনাকালে শিক্ষায় সৃষ্ট সংকট উত্তরণে নেয়া পরিকল্পনার মধ্যে স্বল্পমেয়াদি চিন্তাগুলো ভালো। বিশেষ করে আগেভাগে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সময় প্রকাশ এবং তাদের ক্লাস নেয়ার ঘোষণা ইতিবাচক।

করোনার বিদ্যমান পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা আমরা জানি না। তাই এই মুহূর্তে হয়তো সবার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রমে ছাত্র-ছাত্রীদের একটি অংশকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত সাধুবাদ পাওয়ার মতো হয়েছে।

কিন্তু শিক্ষার দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া প্রয়োজন। এজন্য জনসংলাপ করা যেতে পারে। সবার মতামত নিয়ে ২০১০ সালের শিক্ষানীতি করার কারণেই তা নিয়ে বিতর্ক হয়নি। বরং সর্বজন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

বুধবার তারা এসব কথা বলেন। বিশিষ্ট নাগরিকরা আরও বলেন, করোনাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম হয়েছে। কিংবা টেলিভিশনে ও বেতারে পাঠদান হয়েছে। এ পদক্ষেপ কখনই সরাসরি শ্রেণি কার্যক্রমের বিকল্প নয়। শিক্ষকের সরাসরি সংস্পর্শে না আসায় শিখন কার্যক্রমে শুধু ঘাটতি তৈরি হয়নি, বৈষম্যও সৃষ্টি হয়েছে।

৯০ শতাংশের বেশি ছাত্র-ছাত্রীর কাছে লেখাপড়া পৌঁছানোর পরিসংখ্যান হাস্যকর। আর বাস্তবে যে সংখ্যকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে তারাও কাক্সিক্ষত শিক্ষা পায়নি। সুতরাং শিক্ষণ ও শিখন কার্যক্রমে বড় ধরনের ঘাটতি আছে। ঘাটতি পূরণে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়কে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমার মনে হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী মোটাদাগে তিনটি ইস্যুতে কথা বলেছেন। এগুলো হচ্ছে- বিদ্যমান পরিস্থিতি উত্তরণে আপৎকালীন ব্যবস্থা, স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ এবং দীর্ঘমেয়াদি করণীয়। আপৎকালীন ও স্বল্পমেয়াদি বিষয়ে পদক্ষেপগুলো ভালো হয়েছে। করোনাকালে শিক্ষা যে পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে তা থেকে উত্তরণে আমরা একটি আশ্বাস পেয়েছি।

যেমন, চলতি বছরে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ এবং জেএসসি পরীক্ষার্থীদের সনদের বিষয়ে তিনি সরকারের চিন্তা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তিনি আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা, তাদের শ্রেণি কার্যক্রম, এ বছরে শ্রেণি কাজ না হওয়ায় ঘাটতি পূরণের চিন্তা ইত্যাদি বিষয়ে আমরা আশ্বাস পেয়েছি। এই আশ্বাসটার প্রয়োজন ছিল। কেননা এতদিন আমরা ধোঁয়াশার মধ্যে ছিলাম। যেটা থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দরকার ছিল।

তিনি বলেন, সার্বিকভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে আমরা কোনো আশ্বাস পাইনি। বিদ্যমান কোভিড পরিস্থিতিতে এ মুহূর্তে সেটা দেয়া সম্ভব নয়। কেননা বিশ্বের যেখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছিল সেখানে আবার বন্ধ করতে হয়েছে। আর যেখানে বন্ধ করা হয়নি সেখানে বন্ধের দাবি উঠছে। যদিও সরকার বই বিতরণ কার্যক্রম সামনে রেখে একটি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে। কিছু শিক্ষার্থী স্কুলে এসে ধাপে ধাপে বই নিয়ে যাবে। এতে অন্তত একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে যে কতটুকু স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে।

কিন্তু এটাও ঠিক যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ রাখা যাবে না। একটা সময়ে খুলে দিতে হবে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বড় যে কাজ ছিল সেটা হচ্ছে, করোনা বিস্তারের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জোনিং করা। অপেক্ষাকৃত কম থেকে বেশি সংক্রমণ এলাকা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিষ্ঠান ৩-৪টি জোন করে খুলে দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া যেত। কেননা দেশের সব এলাকা একই রকম সংক্রমণপ্রবণ নয়। কোন এলাকার কী পরিস্থিতি সেই তথ্য নিশ্চয়ই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ৫ শতাংশের কম সংক্রমণ এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যেতে পারে। তিনি বলেন, এই বিবেচনায় দূরদূরান্তের এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যেতে পারে। কেননা, সেখানে যেমন সংক্রমণ নেই তেমনি ডিজিটাল মাধ্যমের শিক্ষা প্রক্রিয়ায় তারা যুক্ত হতে পারেনি। তারা সুবিধাবঞ্চিত হিসেবে বিবেচিত। সরকারের কঠোর তদারকির মধ্যে ওইসব এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। তাদের ক্ষতি এতে পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। কেননা, এই করোনাকালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তারা। এ প্রক্রিয়াটি সফল হলে দুই মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে অন্য এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা যেত।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হচ্ছে। তাই জেলায় জেলায় স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ ধরনের কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ভিত্তিক লেখাপড়ায় সমন্বয় সাধন জরুরি।

এই শিক্ষা বিশেষজ্ঞ বলেন, ২০১০ সালে করা শিক্ষানীতি এখনও বাস্তবায়ন হয়নি, যা এখন স্বীকার করা হচ্ছে। এটা বাস্তবায়ন করতে দরকার সমন্বিত আইন। শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে সময় বেঁধে দেয়া ছিল। ২০১৮ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে বাজেট বরাদ্দ করে তা বাস্তবায়নের নীতি নির্দেশিত ছিল। সেই নীতি অর্জন করা গেলে এখন সমস্যা থাকত না। তবু শিক্ষা আইন হচ্ছে।

এটা যেন পূর্ণাঙ্গ হয় সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি। পাশাপাশি যেসব আইন ও নীতি তৈরি করা হচ্ছে, সেগুলো চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত নেয়া প্রয়োজন। প্রয়োজনমাফিক তৃণমূল থেকেও মতামত নেয়া যেতে পার। তাহলে তা খুবই টেকসই হবে। মতামত গ্রহণের এই নীতি অনুসরণের কারণেই ২০১০ সালের শিক্ষা নীতি নিয়ে বিতর্ক ও আপত্তি ওঠেনি।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, নয় মাসের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। যদিও লেখাপড়া বন্ধ নেই, কিন্তু যেভাবে চলছে সেটা প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ করে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়তো খুলে দিতে হবে। অন্যান্য ফ্লুর মতো করোনাভাইরাস হয়তো থেকে যাবে। টিকা এসে যাচ্ছে। টিকা দিয়ে করোনাকে মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে। করোনা সম্পর্কে মানুষের ভীতিও কমে যাচ্ছে। গ্রামে বেশিরভাগ মানুষ মাস্ক পরে না।

সেখানে তাদের তেমন সমস্যাও নেই। ঘনবসতির শহরাঞ্চলে হয়তো সমস্যা বেশি। যদিও প্রকৃত চিত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আছে। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট বিভাগের সাধারণ মানুষের করোনা টেস্ট করে থাকে। ২৯ ডিসেম্বর মাত্র পাঁচজন রোগী পাওয়া গেছে। এই সব তথ্য থেকে বলা যায়, সংক্রমণ কমে যাচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাদে বাকি সবকিছুই কমবেশি স্বাভাবিকভাবে চলছে। এ অবস্থায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতির সময় এসে গেছে। এই বাস্তবতায় শিক্ষামন্ত্রীর মঙ্গলবার এর বক্তব্য খুবই আশাব্যঞ্জক।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পরে স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানানো সম্ভব হবে। আমি মনে করি, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা আর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক থাকা প্রয়োজন। এটা কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় সব ক্ষেত্রে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ব্যবস্থা করা গেলে ধাপে ধাপে খুলে দেয়ার চিন্তা করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রকৃত চিত্র বিবেচনায় নেয়া দরকার।

অধ্যাপক আহমেদ বলেন, শিক্ষার নীতি, আইন ও বিধি-বিধান তৈরির ক্ষেত্রে সবার আগে শিক্ষার্থীর সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল সামনে রাখা প্রয়োজন। কেননা একজন ব্যক্তির জীবন একটাই। আমাদের নীতি তৈরির ভুল কিংবা অপরিপক্বতার কারণে যদি কোনো শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে সেটা তার এক জীবনে পূরণ করা সম্ভব হবে না। আর যেহেতু ব্যক্তির সমষ্টির নাম এই রাষ্ট্র, তাই ব্যক্তি-নাগরিকের ক্ষতি শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের ক্ষতি বয়ে আনে। আমার ছাত্রজীবনে আমি তিনটি শিক্ষানীতি পেয়েছি।

১৯৬৩ সালে মাধ্যমিক স্তরে বিভাগ প্রথা চালু হয়। তখন বলা হয়েছিল, এটা হলে ভালো হবে। উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বেছে নিতে সুবিধা হবে। যেটা উচ্চশিক্ষার জন্য সহায়ক হয়। এখন আবার আমরা মাধ্যমিকে বিভাগ না রাখা কথা বলছি। আবার শিক্ষা আইন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রেগুলেশনের জন্য উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন আইন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও নীতিমালা কিংবা অন্যান্য যে বিধি-বিধান করার কথা আসছে, সেগুলো চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে অবশ্যই এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া প্রয়োজন।

নতুন কারিকুলাম হচ্ছে, সে বিষয়টিও চূড়ান্ত করার আগে বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি প্রয়োজনে ‘পাবলিক ডায়লগ’ (জনসংলাপ) করা যেতে পারে। বারবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরিবর্তে চূড়ান্ত কিছু করে একটিতে মনস্থির করা অত্যাবশ্যক। সেরকম কিছু করা সম্ভব কেবল সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সরকার বিশেষজ্ঞ প্যানেল তৈরি করতে পারে।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ বলেন, ছাত্র-ছাত্রীরা কী শিখল তার চেয়ে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যাপারে চিন্তা বেশি দেখা যাচ্ছে। পরীক্ষা অবশ্যই শিখন পরিমাপের একটা দিক। কিন্তু এতে শিক্ষার উন্নয়ন হয় কতটুকু। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা হয়েছে ভালো। কিন্তু সেটার চেয়ে জরুরি করোনাকালে শিক্ষার কতটুকু ক্ষতি হয়েছে এবং সেটা কীভাবে পূরণ করা হবে সেটার পরিকল্পনা তৈরি। শিক্ষায় ঘাটতি আগেও ছিল। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিষয়গুলো স্পষ্ট।

করোনাকালে ঘাটতি আরও বেড়েছে। শিক্ষার বৈষম্যও বেড়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ সময় যে দুর্বলতা তৈরি হয়েছে তা ভবিষ্যতে প্রকট রূপ ধারণ করতে পারে। ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে অনলাইন টেলিভিশন শিক্ষা পৌঁছানোর পরিসংখ্যান হাস্যকর। ৫৬ শতাংশ বলি আর ৯৬ শতাংশ বলি, এর কোনোটিই শিক্ষকের সরাসরি সংস্পর্শের শিক্ষার লক্ষ্য পূরণ করেনি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষিত বাবা-মায়ের সন্তান এবং যারা প্রাইভেট টিউটরের সংস্পর্শে সন্তানকে রেখেছে তাদের বিষয়টি ভিন্ন। তা বাস্তবায়নের পন্থা বের করা খুবই জরুরি। খণ্ডিতভাবে পদক্ষেপ নিলে সামগ্রিকভাবে ব্যক্তি ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা আইন করা হচ্ছে, সেখানে শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষাকে প্রকৃত অর্থে বাস্তবায়ন করতে শিক্ষার প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। শিক্ষার ঘাটতি ও ক্ষতিপূরণের প্রণীত নীতি বাস্তবায়নে নিবিড় তদারকির ব্যবস্থা করা দরকার। এক্ষেত্রে প্রশাসনের সঙ্গে স্থানীয় সুশীল সমাজ এবং এনজিও কর্মীদের যুক্ত করা যেতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার আগে টিকার ব্যবস্থা করা দরকার। বলা হচ্ছে, ১৮ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে না। কিন্তু বাকিদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষকদেরকে টিকা দেয়া হবে কিনা সেটাও জানা প্রয়োজন। নইলে শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে চলবে।

তিনি মনে করেন, পর্যায়ক্রমে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। টিকা দেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এক্ষেত্রে সরকার গাইডলাইন তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয়ভাবে গাইডলাইন হতে পারে। কিন্তু স্কুল খোলার পরিকল্পনা করতে হবে স্কুলভিত্তিক।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English