শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাবির হল খুলে দেওয়ার দাবি

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৪ জন নিউজটি পড়েছেন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হল খুলে পরীক্ষা গ্রহণ, করোনাকালীন পরিস্থিতিতে ফি মওকুফ করা এবং টিএসসির মূল কাঠামোর সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ কোনো নির্মাণ প্রকল্প না করার দাবি জানিয়েছে প্রগতিশীল ছাত্র জোট।

জোটের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

প্রগতিশীল ছাত্র জোটের ঢাবি শাখার সমন্বয়ক রাজীব কান্তি রায়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন- জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন প্রিন্স, ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, সদস্য সুহাইল আহমেদ শুভ প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ হল না খুলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তকে অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করে বলেন, প্রতিটা হলে মনিটরিং সেল তৈরি করে সুষ্ঠুভাবে সিট বন্ঠন করতে হবে। এসময় তারা টিএসসি ভেঙে ফেলে নতুন করে নির্মাণ করার নিন্দা জানান।

তারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস করতে পারেননি। অনেক শিক্ষার্থীর পর্যাপ্ত সুবিধা নেই ক্লাস করার।

অনলাইন ক্লাসের মান নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলে তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা প্রতিরোধে প্রশাসন বিশেষ কোনো ভূমিকা তো রাখেইনি বরং ভর্তি ফি প্রদান এবং পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বাধ্য করে শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করছে। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য দিয়ে মেট্রোরেলের রুট নিয়ে যাওয়া অগণতান্ত্রিক। টিএসসির পাশে স্টেশন হলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হবে। এছাড়া টিএসসি ভেঙে ফেললে মুক্ত জ্ঞান চর্চার উপর আঘাত হানা হবে। তাই টিএসসি ভাঙা হলে শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়াবে।

তারা আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন তার থেকে দূরে সরে গেছে। হল না খুলে পরীক্ষা নেওয়া ছাত্র স্বার্থ পরিপন্থী। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ফি কমিয়েছে, সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হয়েও কোনো ফি মওকুফ করেনি।
সমাবেশ থেকে ৭ জানুয়ারি উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এসময় দাবি মানা না হলে আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English