মানবপাচার আইনে করা মামলায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরার আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।
এ দিন মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ধার্য ছিল। কিন্তু মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে দুবাই পুলিশের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত মাসে মানবপাচারকারী চক্রের মূলহোতা আজম খান এবং তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নৃত্যশিল্পী সোহাগকে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর নিকেতন থেকে গ্রেফতার করে সিআইডি।
তারও আগে ২ জুলাই মূলহোতা আজম খানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে লালবাগ থানায় একটি মামলা করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মৃনাল কান্তি শাহ।
মামলার আসামিরা হলেন- আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ড (২৬), স্বপন হোসেন (২৮), আজম খান (৪৫), নাজিম (৩৬), এরশাদ ও নির্মল দাস (এজেন্ট), আলমগীর, আমান (এজেন্ট) ও শুভ (এজেন্ট)।
আজম খান জবানবন্দিতে বলেছেন, লালবাগের স্বপন, আল আমিন ওরফে ডায়মন্ড, বংশালের ময়না, চট্টগ্রামের মাহাফুজ ও ময়মনসিংহের অনীক তাকে মেয়ে সংগ্রহের কাজে সাহায্য করেন। বাড্ডার সজীব ও ময়মনসিংহের অনীকেরও দুবাইতে ড্যান্স বার আছে। আজমের ভাই নাজিমের বন্ধু মো. ইয়াছিন ও নির্মল ড্যান্স একাডেমির নির্মল সরকার তাদের জবানবন্দিতে বলেন, তারা আজম খান ছাড়াও সজীবের জন্য নারী পাচার করেছেন।