নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ এড়াতে মাত্র ৪ মাসের মধ্যে বাংলাবাজার ঘাটটি পূর্ণাঙ্গভাবে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমান নতুন ঘাটটিতে কাঁঠালবাড়ী ঘাটের চাইতে অনেক পরিধি নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘাটটিতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে শিগগিরই সব ধরনের স্থাপনা তৈরি করা হবে। নতুন ঘাট তৈরি করায় হয়তো বা কিছু কাজ বাকি রয়েছে। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানান্তরিত নতুন মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ফেরি ঘাট পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন।
এ সময় বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ডিআরইউ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাবীবুর রহমান, মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান, শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাউর রহমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে নৌপ্রতিমন্ত্রী মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান (৪১তম) বসানোর কাজ প্রত্যক্ষ করেন। পরে শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় নির্মিতব্য তীররক্ষা কাজের স্থান পরিদর্শন ও পদ্মা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টের ড্রেজিং কার্ক্রম পরিদর্শন করেন।
বাংলাবাজার ঘাট পরিদর্শনকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন এ ঘাটে যাত্রী সেবা যেন সর্বোচ্চ পর্যায় থাকে আমরা সেই ব্যবস্থা করব। আগে যেখানে রাস্তাসহ পার্কিং ইয়ার্ডে গাদাগাদি করে গাড়ি রাখা হতো। এখন এখানে বড় স্পেসে খোলামেলা পরিবেশে গাড়ি রাখা সম্ভব হবে। সেইভাবে বড় পরিসরে ঘাটটি তৈরি করা হয়েছে। ঘন কুয়াশার মধ্যে আটকে পড়া যাত্রীরা যাতে বাংলাবাজার ঘাটে এসে দুর্ভোগ পোহাতে না হয়। সে জন্য প্রয়োজনীয় শৌচাগাারসহ সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।