বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
অন্য লোকটি নির্বাচিত হলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হতো: বাইডেন ডেঙ্গু রোগীর খাবার বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সময় এগিয়ে আনা হতে পারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করাই এখন বিএনপির চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল ঢাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও ডোপ টেস্ট হবে বিশ্বকাপ খেলবেন না তামিম পানি থেকে ৬০ ফুট উঁচু পদ্মা সেতুর স্প্যানে ধাক্কা কীভাবে! চীন থেকে এলো আরও ২০ লাখ ডোজ টিকা করোনায় বেড়েছে শিশু নির্যাতন বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য টিকটকের নতুন নিরাপত্তা ফিচার পেরুতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩২ ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ আসছে বৃহস্পতিবার বাসায় ফিরেই নুসরাত জানালেন ‘পর্দার পিছনের দৃশ্য’ থাইরয়েডের সমস্যা হলে বুঝবেন কীভাবে অগ্নিপরীক্ষায় বিএনপি সংসদের ১৪তম অধিবেশন বসছে বিকেলে জামিনে মুক্তি পেলেন পরীমণি ইন্টারনেট বন্ধ অবস্থায় বার্তা লেনদেনের উপায় উইকেটের পেছনে কে দাঁড়াবেন, সোহান নাকি মুশফিক? দুই মেয়েকে নিয়ে ১৫ দিন একসঙ্গে থাকতে মা-বাবাকে নির্দেশ
আস্থায় ফিরতে হবে পুলিশ বাহিনীকে

আস্থায় ফিরতে হবে পুলিশ বাহিনীকে

পুলিশ বাহিনী

বেশ কয়েক বছর আগের কথা বলছি। আমি দেশের একটি নামি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি শিক্ষক হিসাবে পড়াতাম। কোনো এক সেমিস্টারে একজন মেধাবী ছাত্রকে পাই। ওর নানা বিষয়ে পড়ায় আগ্রহ। নতুন নতুন বই সংগ্রহ করে। আর অফিস আওয়ারে এসে এসব বই নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করে। ওর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ তখন প্রায় শেষের দিকে। একদিন জানাল, ও বিসিএস পরীক্ষা দিতে চায়। কীভাবে প্রস্তুতি নেবে, সে বিষয়ে আমার সাহায্য চাইল।

আমি বললাম, বিশেষ কোনো ক্যাডারের প্রতি তোমার আগ্রহ আছে কি না। ও খুব দৃঢ়তার সঙ্গে জানাল, একমাত্র পুলিশ ক্যাডারই ওর কাম্য। আমি বললাম, সব রেখে পুলিশ ক্যাডার তোমার পছন্দ কেন?

ছেলেটি মজা করে বলল, কারণটি আপনি স্যার। আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না। ও পরিষ্কার করল। বলল, স্যার ক্লাসে মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গ পড়াতে গিয়ে ২৫ মার্চের রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশের যে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের কথা বলেছেন, দেশের জন্য অকাতরে প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার কথা বলেছেন, তাতে পুলিশের জন্য আমার মধ্যে একটি বিশেষ শ্রদ্ধাবোধ জন্ম নিয়েছে। আজ নানা কারণে পুলিশ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক নেতিবাচক ধারণা জন্ম হয়েছে। আমি পুলিশ হয়ে এ অপবাদ ঘোচাতে চাই। তা না হলে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর পুলিশের আত্মা শান্তি পাবে না। আমার ছাত্রটি পুলিশ ক্যাডার হওয়ার লক্ষ্য পূরণ করেছে। শুনেছি, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করে দেশে ফিরেছে ও। নিশ্চয়ই এখন কোথাও আদর্শ পুলিশ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছে।

আমার আত্মীয়স্বজন, ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই পুলিশ বাহিনীতে আছে। তাদের অধিকাংশই সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে বলে শুনি। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, এ দেশের অনেক পুলিশ কর্মীই সৎ। কিন্তু কিছুসংখ্যক অসৎ পুলিশের জন্য আজ পুরো বাহিনীই সাধারণের চোখে নিজেদের সম্মান ধরে রাখতে পারছেন না। একটি স্বাধীন দেশে এমন গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর ক্ষেত্রে যা কাম্য হতে পারে না। সচেতন মানুষ বিশ্বাস করে, ক্ষমতার রাজনীতি যুগ যুগ ধরে নিজেদের রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণের জন্য পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করেছে। এ বাহিনী যতটা কলুষিত হয়েছে, তার জন্য লোভী রাজনীতির দায় কম নয়।

পুলিশ বাহিনীর উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশ বাহিনীর ভেতর জমে যাওয়া এঁদো কাদা পরিষ্কার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয় কি না জানি না বা প্রশিক্ষণের সময় সততার শিক্ষা কতটা, কীভাবে দেওয়া হয় তাও আমার জানা নেই। না হলে একের পর এক অপরাধের সঙ্গে খোদ পুলিশকেই জড়িত হতে দেখি কেমন করে! সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পায় পুলিশ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণবার ছিনতাই করে। মানুষকে বিপদে ফেলে অর্থবাণিজ্যে নিজেদের যুক্ত করে।

এ ধারার অনেক ঘটনার তালিকা আমার সামনে রয়েছে। সম্প্রতি আরেক কীর্তি প্রকাশ পেল। একজন এএসপি ও রংপুর সিআইডির অতিরিক্ত এসপিসহ পাঁচজন অপহরণ মামলায় আটক হয়েছেন। দিনাজপুরে মা-ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অপহৃত মা মুক্ত হওয়ার পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কীভাবে তার ওপর অত্যাচার করা হয়েছে। একাধিক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে চারিত্রিক স্খলনের অভিযোগও পত্রিকার পাতায় দেখা যাচ্ছে ইদানীং। রক্ষকদের এভাবে ভক্ষকের ভূমিকায় দেখে সাধারণ মানুষ এখন খুবই হতাশ।

পুলিশের অনেক সাফল্য আমাদের অহংকারীও করে তোলে। আমরা গর্বিত হই জঙ্গি দমনে পুলিশ বাহিনীর নানা সাফল্য দেখে। ৯৯৯-এ ফোন করে অনেক আর্ত পুলিশের কাছ থেকে উপকার পাচ্ছেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অনেক পুলিশ সদস্য জীবন দিয়েছেন। অথচ কিছুসংখ্যক দুর্বৃত্ত মানসিকতার পুলিশ নাম ডুবাচ্ছেন পুলিশের। এজন্য অবশ্যই পুলিশ প্রশাসনকে দায় নিতে হবে। সরকারও দায়িত্ব এড়াতে পারে না।

পুলিশকে অসৎ করার পথ কি নানাভাবে রচিত হয় না? পুলিশ কি জনগণের বন্ধু হতে পেরেছে? নাকি সেভাবে তাদের প্রশিক্ষিত করা হয়? ঢাকা শহরে যারা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন, পুলিশের ভয়ে কীভাবে আতঙ্কে থাকতে হয়। আমি ইউরোপের অনেক দেশেই দেখেছি, পুলিশের আচরণ কেমন করে বন্ধুর মতো হতে পারে। সেসব দেশে সিসি ক্যামেরার হাতেই সব নিয়ন্ত্রণ। ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার বিল চলে আসবে। রাস্তাঘাটে পুলিশ তেমন একটা চোখেই পড়বে না। আবার পথে চালক সামান্য ভুল করলেই পুলিশ চলে আসে। ছোটখাটো ভুল হলে পুলিশ এসে বন্ধুর মতো শুধরে দেয়।

২০১৮ সালে কথা। আমি বেলফাস্ট থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরে নেমেছি। এখান থেকে ঢাকার পথে কাতার এয়ার ওয়েজের কানেক্টিং ফ্লাইট ধরব। মাঝখানে সময় খুব বেশি নেই। হিথ্রো বিশাল এয়ারপোর্ট। মনিটর দেখে আমার ফ্লাইট লোকেশন ঠিক করতে পারছিলাম না। অর্থাৎ কোন টার্মিনাল বা কোন গেটে যেতে হবে বুঝতে পারছিলাম না। আমার কাছ দিয়েই একজন দশাসই চেহারার ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার যাচ্ছিলেন। আমি তার সাহায্য চাইলাম। তিনি আমাকে নিয়ে অদূরে একটি বড় মনিটরের কাছে গেলেন। খুঁজে নিশ্চিত হলেন। আমাকে পথ দেখিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করলেন না। মিনিট দশেক হেঁটে আমাকে নির্ধারিত গেটে পৌঁছে দিলেন। আমি তার এ ব্যবহারে বিমোহিত হলাম।

দোহা থেকে বিমান পরিবর্তন করে ঢাকাগামী ফ্লাইট ধরতে অসুবিধা হলো না। তবে মন খারাপ হলো শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে। এ ফ্লাইটে এক-তৃতীয়াংশ যাত্রীও ছিল না সেদিন। এয়ারপোর্টে সব যাত্রী নেমে গেলে আমি ধীরে ধীরে বেরোলাম। দীর্ঘ বিমানযাত্রায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। ইমিগ্রেশন পুলিশের বুথের সামনে কোনো ভিড় ছিল না। আমার পাসপোর্টে সিলছাপ্পর হয়ে গেল। এখন দেখতে হবে কোন বেল্টে আমার লাগেজ আসবে। অদূরে নিরিবিলি দাঁড়িয়েছিলেন একজন সম্ভবত এসআই র‌্যাঙ্কের পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, কাতার ফ্লাইটের বেল্ট কোনটা হবে? একরাশ বিরক্তি মুখে কটমট করে আমার দিকে তাকালেন। বললেন, মনিটরে দেখে নিন। নিজের বোকামি টের পেলাম। বোঝা উচিত ছিল, বাংলাদেশ পুলিশের এ সদস্যের রাজকার্যে বিরক্ত করা উচিত হয়নি। আমি লক্ষ করিনি, এক মিনিট হাঁটলেই আমার নির্ধারিত বেল্টটি পেয়ে যেতাম। আমাদের পেটি পুলিশ অফিসারের হয়তো আভিজাত্যে লেগেছে। চকিতে হিথ্রো এয়ারপোর্টে ব্রিটিশ পুলিশের ব্যবহারটি চোখের সামনে ভেসে উঠল।

গত ফেব্রুয়ারির একটি ঘটনা। আমার মেয়ের বিয়ের কার্ড কেনার জন্য পল্টনে গেছি। হাউজ বিল্ডিংয়ের পাশ দিয়ে আমার গাড়ি ভেতরে ঢুকল। এদিকে আমার তেমন আসা হয় না। কোথাও পার্কিং লেখা দেখছি না। একেবারে উত্তরদিকে চলে এলাম। এদিকটায় রাস্তা অনেকটা প্রশস্ত এবং গাড়ি চলাচলও কম। কিছুটা দূরে একটি পুলিশ ফাঁড়ির মতো দেখতে পেলাম। ডানপাশে দুটো ছোট ট্রাক ভেড়ানো। মাঝখানের ফাঁকায় আমার গাড়ি রাখলাম। ট্রাকগুলো দেখে মনে হলো, এখানে বোধহয় গাড়ি রাখা যায়। কোথাও ‘নো পার্কিং’ লেখাও দেখলাম না। ট্রাফিক সমস্যাও দেখছি না। ড্রাইভারকে বললাম, পুলিশ আপত্তি করলে বায়তুল মোকাররমের পার্কিং স্ট্যান্ডে রেখো। আমি অনেকটা হেঁটে কার্ডের দোকানে এলাম। মিনিট পনেরো পরে আমার ড্রাইভার ফোন করল।

পুলিশ সার্জেন্ট এসেছে; এখানে গাড়ি রাখা যাবে না। আমি বললাম বেশ তো, বায়তুল মোকাররম চলে যাও। ও বলল, আমার কাছে ১২শ টাকা চাচ্ছে। আমি অবাক হলাম। একজন নাগরিকের সঙ্গে এইটুকু বন্ধুর মতো ব্যবহার করতে পারত। পার্কিংয়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিতে পারত। আমি দ্রুত চলে এলাম। ড্রাইভার জানাল, সার্জেন্ট গাড়ির কাগজ নিয়ে চলে গেছে, কোনো রসিদও দেয়নি। ভারি বিপদ। আমার গাড়ি তখনও দুই ট্রাকের মাঝে নিরিবিলিতে দাঁড়ানো। রাস্তায় চলাচলের কোনো বিঘ্ন ঘটায়নি। দেখলাম, কিছুটা দূরে একজন লম্বা মতো পুলিশ কর্মকর্তা চায়ের দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে চা পান করছেন আর আড়চোখে আমাদের দেখছেন। আমরা গাড়ি নিয়ে তার কাছে গেলাম। দেখলাম, তিনি অবহিত আছেন। বন্ধুর মতো পরামর্শ দিলেন, কেস দিলে অনেক টাকা লাগবে, তার চেয়ে উনি যা চেয়েছেন; তা দিয়ে মিটিয়ে ফেলুন। বিষয়টি আমার কাছে নৈতিক মনে হলো না। এবার আমি আমার পরিচয় দিলাম। শুনে তিনি কয়েক কদম দূরে গিয়ে টেলিফোনে কারও সঙ্গে কথা বললেন। ফিরে এসে বললেন, দৈনিক বাংলার মোড়ে পুলিশ বক্সে সার্জেন্ট সাহেব আছেন। ওখান থেকে কাগজ নিয়ে নিন। খুশি মনে চলে এলাম। কিন্তু পুলিশ বক্সে এসে গাড়ির কাগজের বদলে আমাকে মামলার কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হলো। অপরাধটি কী, তা আমার কাছে খুব স্পষ্ট হলো না। বুঝলাম চাহিদামতো ১২শ টাকা না দেওয়ার অপরাধে তিন হাজার টাকা জরিমানা হয়ে গেল।

গত সপ্তাহে ঢাকার বাসা থেকে কিছু মালপত্র একটি ট্রাকে করে সাভার আনব। আমার ধারণা ছিল, রাতে ট্রাক চলাচল করে। বাড়ির কেয়ারটেকারকে বলেছি, ট্রাক ঠিক করে রাখতে। এক ঘণ্টা পরে জানাল, ট্রাক সকালেই যাবে। ওদের দিনের বেলা ঢাকা শহরে চলার পারমিশন আছে। আমার ড্রাইভার গেল পথ দেখিয়ে আনার জন্য। পরে ও জানাল, পারমিশন বলতে শক্ত এক টুকরো কাগজ ছিল। তাতে কয়েকটি নম্বর লেখা। পান্থপথের এক জায়গায় পুলিশ ট্রাক থামিয়েছিল। কাগজটি দেখাতেই ছেড়ে দেয়। ট্রাক ড্রাইভারের কাছে জানতে পারলাম, দিনের বেলা ঢাকা শহরে চলতে মাসে দেড় হাজার টাকা দিতে হয়। তাছাড়াও বিভিন্ন থানা এলাকায় থানাকে মাসোহারা দিতে হয় তাদের। এভাবে কোটি টাকার ব্যবসা করে পুলিশ। এসব অভিযোগ কতটা সত্য আর সত্য হলে টাকার ভাগ কতদূর পর্যন্ত যায়, তা পুলিশ প্রশাসনই বলতে পারবে ভালো।

এ ধরনের নানা পুলিশি বিড়ম্বনার খতিয়ান অসংখ্য ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতাতেই আছে। এ সমাজেই তো সাধারণ মানুষের বসবাস। এসব কারণে খুব স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের সঙ্গে সাধারণ মানুষের দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে; যে কারণে নির্বাচনের পাহারায় হোক বা লকডাউন কার্যকর করার জন্যই হোক, মানুষ পুলিশের ওপর ভরসা রাখতে চায় না। দাবি থাকে সেনাবাহিনী নামানোর। এমন বাস্তবতা কাম্য হতে পারে না। যুগ যুগ ধরেই ‘দারোগা’দের নিয়ে নানা মুখরোচক কাহিনি তৈরি হয়েছে। ক্ষমতার দাপট আছে বলেই কেউ কেউ হয়তো ক্ষমতার অপব্যবহার বারবার করে আসছেন।

কিন্তু কিছুসংখ্যক অসৎ মানুষের জন্য জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলা রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ পুলিশবাহিনী জনগণের চোখে হেয় হতে পারে না বা জনগণ তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে না। অসংখ্য সৎ পুলিশ সদস্য কেন নষ্ট মানুষের দায় নেবে? এ কারণেই আমাদের মনে হয়, শক্ত নীতিনির্ধারণের মাধ্যমে এ বাহিনীর ভেতর শুদ্ধিকরণ সম্পন্ন করা উচিত। সাধারণ মানুষের আস্থায় ফিরিয়ে আনা উচিত পুলিশবাহিনীকে।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2017-2021
  • http:///silverbo.ru/sitemap.txt
  • https:///soulkitchen.in.ua/sitemap.txt
  • https:///spbdays.ru/sitemap.txt
  • https:///standartinteriors.ru/sitemap.txt
  • https:///start-fit.ru/sitemap.txt
  • https:///startupukraine.com/sitemap.txt
  • https:///stephenbarney.com/sitemap.txt
  • https:///stroikalife.ru/sitemap.txt
  • https:///studio-izo.ru/sitemap.txt
  • https://sudjin-roll.ru/sitemap.txt
  • https:///svikk.biz/sitemap.txt
  • https:///system135.ru/sitemap.txt
  • https:///teaspot.ru/sitemap.txt
  • http:///teatox.ru/sitemap.txt
  • http:///thesitesurgeon.com/sitemap.txt
  • http:///timberindustry.ru/sitemap.txt
  • https:///tsarslovo.ru/sitemap.txt
  • https:///ucdpo-bez.ru/sitemap.txt
  • https:///unix-service.ru/sitemap.txt
  • https:///vanilladistribucion.com/sitemap.txt
  • https:///vglubinahcoznaniy.ru/sitemap.txt
  • https:///vzima.ru/sitemap.txt
  • https:///webproject4u.com/sitemap.txt
  • https:///wematec.ru/sitemap.txt
  • https:///wp2.ru/sitemap.txt
  • https:///zingerprof.ru/sitemap.txt
  • https:///zolotaya-ulitka.ru/sitemap.txt
  • https:///zookrsk.ru/sitemap.txt
  • https://sfincs.com/sitemap.txt
  • https://vertexinvestment.org/sitemap.txt
  • https://vitacook.pl
  • https://vitalinterface.net
  • http://vitasrl.com
  • https://vitastore.vn
  • https://v-jake.nl
  • https://vlakembezbarier.cz
  • http://vlassisrestaurant.gr
  • http://vogelzangcampers.nl
  • https://volunteerxtreme.org
  • https://voytrips.com
  • https://vozdamatasul.com.br
  • https://vraagheteenadvocaat.be
  • https://vrabo.org
  • https://vrabo-ec.org
  • http://vrbovskevetry.sk
  • https://vrhl.nl
  • https://vriddhiindia.in
  • http://vsgu-zh.ch
  • http://vstarnepal.com
  • http://vtest.prfi.ru
  • https://vwashottawa.com
  • http://vyapaarikapuvath.lk
  • http://w.sho.pl
  • https://wadil.biz
  • https://wake.net
  • http://walktallshoes.in
  • http://wallaquascape.id
  • https://wanderlustmark.com
  • https://wanugo.com
  • https://warzonez.net
  • http://wastec.com.br
  • https://waste-hq.com
  • https://wave.se
  • http://waxbros.com
  • http://way2bank.in
  • https://waynechristian.org
  • https://wcns.org.uk
  • https://wdoze.com.br
  • http://wearearteria.com
  • https://wearefurtivo.com
  • http://wearemarchhare.com
  • https://weareopen.shop
  • https://weaverclinicllc.com
  • http://web.heartybrain.com
  • https://webbelijn.be
  • https://webi360.in
  • http://webline-studio.nl
  • https://webmaxsupport.net
  • http://webprospect.tn
  • https://websearch2006.com