শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আলাউদ্দিন আলী

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০
  • ৫২ জন নিউজটি পড়েছেন

কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন। এর আগে সোমবার সোমবার দুপুরে পৈতৃক ভিটা খিলগাঁওয়ের নূর-ই-বাগ মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর দুইটার দিকে মরদেহ নিয়ে আসা হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি)। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে ৪টার দিকে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয় আলাউদ্দিন আলীকে।

বেশ কয়েক বছর ধরে ক্যান্সারে ভোগছিলেন সুরস্রষ্টা আলাউদ্দিন আলী। রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেন তিনি।গত শুক্রবার রাত থেকেই বিশিষ্ট এই সুরকারের শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। শনিবার ভোরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারও আগে টানা তিনমাস থাইল্যান্ডে ক্যানসারের চিকিৎসা শেষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে ফেরেন আলাউদ্দিন আলী। এরপর থেকে কিছুটা স্থিতিশীল ছিলো তার শারীরিক অবস্থা।

আলাউদ্দিন আলী এ পর্যন্ত ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার পুরস্কৃত হয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। যে রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

গুণী এই ব্যক্তি ১৯৭৫ সাল থেকে সংগীত পরিচালনা করে বেশ প্রশংসিত হন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’ এবং ‘যোগাযোগ’ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ১৯৮৫ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি খ্যাতিমান পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেছেন।

আলাউদ্দিন আলী বাংলা গান, বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রে অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গান তৈরি করেছেন। তিনি একই সঙ্গে সুরকার, সংগীত পরিচালক, বেহালাবাদক ও গীতিকার। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামে তার জন্ম। বাবা ওস্তাদ জাদব আলী। মায়ের নাম জোহরা খাতুন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English