বাংলাদেশ কৃষক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি মমিনুর রহমান বিশালকে নিবর্তনমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে মমিনুর রহমান বিশালসহ এ আইনে গ্রেপ্তারকৃত সকলকে নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জোটের বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ ও জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য সিপিবি সভাপতি মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার করোনা মোকাবেলায়, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত ও বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে দেশবাসীকে দুর্ভোগে ফেলেছে। তার সাথে সরকার প্রশাসন ও সরকার দলীয় লোকদের দুর্নীতি, লুটপাট সীমা ছাড়িয়েছে। দুঃশাসনে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। সরকারের ব্যর্থতা-দুর্নীতি নিয়ে কেউ সমালোচনা করলে, গণমাধ্যমে দুর্নীতি-লুটপাটের খবর ছাপালে তা দমনে এই কুখ্যাত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার নির্যাতন করা হচ্ছে। কালো আইনে গ্রেপ্তার হয়ে এখনো জেলে আছেন কার্টুনিস্ট কিশোর, লেখক মোস্তাক, অ্যাকটিভিষ্ট দিদার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জাকির ও সাংবাদিক কাজলসহ অনেকে।
বিবৃতিতে নেতারা অবিলম্বে ডিজিাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারকৃত কৃষক ফোরামের সভাপতি মমিনুর রহমান বিশাল, সাংবাদিক কাজলসহ সকলের নিঃশর্ত মুক্তি ও নিবর্তনমূলক কালো আইন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জোর দাবির জানান।