সুশান্তের সিংয়ের মৃত্যুর মাদক যোগের তদন্তে জড়াচ্ছে একের পর এক অভিনেত্রীর নাম। সারা আলি খান এবং দীপিকা পাড়ুকোনের পর এ বার উঠে আসছে দিয়া মির্জার নাম। মাদক পাচারকারী অঙ্কুশ ও অনুজ কেশওয়ানিকে জেরা করেই উঠে এসেছে দিয়ার নাম।
দিয়ার ম্যানেজার ছিলেন অনুজের বান্ধবী। সেই সূত্রে তিনিই দিয়াকে মাদক সরবরাহ করতেন। ফলে, নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)-র অফিসে প্রথম ডাক পড়তে পারে দিয়ার ম্যানেজারের। তার পর ডাকা হতে পারে অভিনেত্রীকেও। এর আগে, সারা ও দীপিকার বিষয়টিও সামনে আসে। কিন্তু দুই অভিনেত্রীর কেউই এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।
এদিকে দিয়া এমন খবর সামনে আসার পরেই টুইট বার্তায় বলেন, তার মাদকাসক্তি নিয়ে যে সব খবর প্রকাশ করা হচ্ছে, তা মিথ্যে, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ছড়ানো। এ ধরণের ভুলের প্রভাব তার ভাবমূর্তিতে পড়তে পারে। দিয়া বলছেন,‘আমি জীবনে কখনো মাদক খাইনি এবং কিনিনি। এ ধরনের ভুল খবরের বিরুদ্ধে নাগরিক হিসেবে সব রকম আইনি পদ্ধতি আমি ব্যবহার করব।’
দীপিকা কিন্তু তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলেনি। মঙ্গলবার দীপিকার ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশ এবং ট্যালেন্ট এজেন্সি এগজিকিউটিভ জয়া সাহাকে ডেকেছিল এনসিবি। ডাকা হয়েছিল সুশান্তের ম্যানেজার শ্রুতি মোদীকেও। জয়া ও শ্রুতি হাজিরা দিলেও করিশ্মা এনসিবি-র কাছে সময় চেয়েছেন বলে খবর।
অন্যদিকে ৬ অক্টোবর অবধি জেলেই থাকতে হবে সুশান্ত সিং রাজপুতের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীকে। তার বিচারবিভাগীয় হেফাজত বৃদ্ধির কথা জানিয়ে মঙ্গলবার সেটাই স্পষ্ট করে দিয়েছে মুম্বইয়ের আদালত। তবে, রিয়া এবং তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী বম্বে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছেন।