বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির ডেথ রেফারেন্স নথি হাইকোর্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে রবিবার এ নথি হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হবে।
আইন বিশেষজ্ঞরা জানান, ফৌজদারি মামলায় বিচারিক আদালত যখন আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দেয় তখন ওই দণ্ড কার্যকরের জন্য হাইকোর্টের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেন। যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ওই নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে। পেপারবুক প্রস্তুত হলে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হয়।
২০১৯ সালের ২৬ জুন রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে ওই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে। পরে সাক্ষী থেকে মামলার আসামি হন মিন্নি। গত বুধবার বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দেওয়া রায়ে মিন্নি, রিফাত ফরাজী, আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, মো. রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বেকসুর খালাস দেওয়া হয় চার আসামিকে। ওই রায় প্রদানের সাত কার্যদিবসের মধ্যে দণ্ডিত আসামিদের আপিল করার জন্য রায়ে উল্লেখ করা হয়। সেই মোতাবেক আসামিরা জেল আপিল করার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীকালে রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি পেয়ে নিয়মিত আপিল দায়ের করতে পারবেন ফাঁসির ছয় আসামি।