শেষ চার ম্যাচে হার। শঙ্কা জেগেছিল দিল্লি শিবিরে। তবে রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে আইপিএলে দ্বিতীয়স্থানে থেকে প্লে অফ খেলা নিশ্চিত করেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। সোমবার রাতের কোহলি বাহিনীকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে আয়ার শিবির। হারলেও তৃতীয় দল হিসাবে প্লে অফ নিশ্চিত হয়েছে বেঙ্গালুরুরও। তবে কোহলিদের হারে শঙ্কা জোরালো হয়েছে কলকাতার।
কোহালিদের রান রেট (-০.১৭২) কলকাতা নাইট রাইডার্সের (-০.২১৪) থেকে ভালো। মঙ্গলবার কলকাতা তাকিয়ে থাকবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স-সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের দিকে। এই ম্যাচে কলকাতা সমর্থন দেবে মুম্বাইকে। কারণ জিতে গেলে ডেভিড ওয়ার্নারদের প্লে অফ নিশ্চিত। কারণ হায়দরাবাদের নেট রানরেট বেশ ভালো, +০.৫৫৫। তবে মুম্বাইয়ের কাছে ওয়ার্নাররা হেরে গেলে অবশ্য প্লে অফে যাবে কলকাতা। কারণ মরগানের দল ২ পয়েন্টে এগিয়ে থাকবে হায়দরাবাদের থেকে।
১৩ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করা মুম্বাই আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করেছে। ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দিল্লি। সমান ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় বেঙ্গালুরু। কলকাতার পয়েন্টও ১৪, ম্যাচও শেষ তাদের। ১৩ ম্যাচে সেখানে ১২ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে হায়দরাবাদ।
আগামী ৫ নভেম্বর প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স মুখোমুখি হবে দিল্লি ক্যাপিটালসের। ৬ নভেম্বর এলিমিনেটর ম্যাচে বেঙ্গালুরু খেলবে কলকাতা অথবা হায়দরাবাদের সাথে।
আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেটে বেঙ্গালুরু করে ১৫২ রান। টপ অর্ডারেই রান এসেছে যা। মিডল অর্ডার ছিল ব্যর্থ। সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন ওপেনার পাডিকাল। ভিলিয়ার্স ৩৫ ও অধিনায়ক কোহলি করেন ২৯ রান। বল হাতে দিল্লির হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন নরতিয়ে। ম্যাচ সেরা হন তিনিই।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে চার উইকেটে ১ ওভার হাতে রেখে ১৫৪ রান করে দিল্লি। শিখর ধাওয়ান ও অজিঙ্কা রাহানের ব্যাটেই জয় পায় দলটি। দুজনই করেন ফিফটি। ৪৬ বলে ৬০ রান করেন রাহানে। ৪১ বলে ৫৪ রান করেন ধাওয়ান। পন্থ ও স্টয়নিস অপরাজিত থেকে দলকে প্লে অফ নিশ্চিত করেন।