নোয়াখালীর ছোট্ট দ্বীপ ভাসানচর। এই চরে এখন জীবনের আবহ। কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে এসে প্রথম রাতটা স্বস্তির সঙ্গে নিরাপদে কাটিয়েছে রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটি।
কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটির বেশ কয়েকজন আজ শনিবার আমাদের কাছে এ অনুভূতির কথা জানিয়েছেন।
কক্সবাজারে ১৭ নম্বর শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন আরোফা ও মো. রফিক। আরোফা এই প্রতিবেদককে জানালেন, পাহাড়ের গায়ে থাকার সময় মেয়ে রাফিয়াকে নিয়েই ছিল এই দম্পতির একমাত্র দুঃশ্চিন্তা। একটাই শঙ্কা, কবে না তিন বছরের বাচ্চা গড়িয়ে পড়ে হাত-পা ভেঙে ফেলে। ভাসানচরের সমতলে থাকার সুযোগ পেয়ে তা হাতছাড়া করেননি এই দম্পতি। তবে কক্সবাজার শিবিরে সাহায্য সংস্থার হয়ে দিনমজুরের যে কাজ করতেন, তাঁর স্বামী এখানেও সেটা পাবেন বলে জানালেন।
রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলের আশপাশ ঘুরে দেখা গেছে, আনন্দময় কাটছে তাদের নতুন আবাস। সকাল থেকে এদিক–সেদিক ছোটাছুটি আর খেলায় মশগুল শিশুরা।