সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

অজু কখন ফরজ কখন নফল

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬৪ জন নিউজটি পড়েছেন

অজু তিন প্রকার : ১. ফরজ ২. ওয়াজিব ও ৩. মুস্তাহাব।

অজু কখন ফরজ হয়?

অজু না থাকা ব্যক্তির জন্য চারটি অবস্থার যেকোনো একটির জন্য অজু ফরজ হয়।

► নামাজ আদায়ের জন্য। যদিও নফল নামাজ হোক। (বুখারি, হাদিস : ১৩২)

► জানাজার জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি : ৪৩৫)

► সিজদায়ে তিলাওয়াতের জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি : ৪৩৫)

► পবিত্র কোরআন শরিফ ছোঁয়ার জন্য। অনুরূপভাবে অজু ছাড়া ব্যক্তি যদি পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখা দেয়াল, কাগজ, টাকা যেটাই ছুঁতে চাইবে তার জন্য অজু করা ফরজ। (সুরা : ওয়াকিয়া, আয়াত : ৭৯, মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/১১৩)

অজু কখন ওয়াজিব হয়?

শুধু একটি বিষয়ের জন্য অজু করা ওয়াজিব। তা হলো কাবাঘরের তাওয়াফ করার জন্য। (তিরমিজি, হাদিস : ৮৮৩)

অজু কখন মুস্তাহাব হয়?

► পবিত্রতার সঙ্গে ঘুমানোর জন্য। (বুখারি, হাদিস : ২৩৯)

► ঘুম থেকে জাগ্রত হলে। তখন শুধু মুস্তাহাবই নয় বরং সুন্নত (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি : ৫৮৫)

► সব সময় অজু অবস্থায় থাকার জন্য। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৭৩)

► সওয়াবের নিয়তে অজু থাকা অবস্থায় অজু করা।

► গিবত ও মিথ্যা কথার আশ্রয় নেওয়ার পর। (মুসলিম, হাদিস : ৩৬০)

► মন্দ ও অশ্লীল কবিতা পাঠের পর। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা : ১/১৩৫)

► নামাজ ছাড়া অন্য অবস্থায় অট্টহাসি দেওয়ার পর। (মুসনাদে আহমাদ : ৯৩০১) তবে নামাজে অট্টহাসি দিলে অজু ভেঙে যায়। (দারাকুতনি : ৬১৫)

► মৃতকে গোসল দেওয়ার পর। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি : ১৫১৬)

► মৃতের লাশ ওঠানোর জন্য। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি : ১৫০৩)

► প্রত্যেক নামাজের জন্য নতুন অজু করা। (মুসনাদে আহমাদ : ৭৫০৪, বুখারি, হাদিস : ২০৭, ফাতহুল বারি ১/৩৩৮)

► জানাবতের গোসলের (ফরজ গোসল) পূর্বে। (বুখারি, হাদিস : ২৪০)

► জুনুবি ব্যক্তি তথা গোসল ফরজ হয়েছে, এমন ব্যক্তির খাওয়া, পান করা এবং ঘুমানোর আগে। (মুসলিম, হাদিস : ৪৬১)

► রাগের সময়। (আবু দাউদ, হাদিস : ৪১৫২)

► কোরআন তিলাওয়াতের সময়। (মৌখিক পাঠের সময়) (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস : ৪৩৫)

► হাদিস পড়া এবং বর্ণনা করার সময়। (আদাবুল উলামা ওয়াল মুতাআল্লিমীন : ১/৬)

► শরয়ি ইলম অর্জনের সময়। (তিরমিজি, হাদিস : ২৭২৩)

► আজান দেওয়ার সময়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/২১১)

► ইকামত দেওয়ার সময়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/২১১)

► খুতবা দেওয়ার সময়। (তিরমিজি, হাদিস : ২৭২৩)

► নবী (সা.)-এর কবর জিয়ারতের সময়। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৬৪)

► ওকুফে আরাফা তথা আরাফায় থাকা অবস্থায়। (বুখারি, হাদিস : ১৪২৪, নাসায়ি, হাদিস : ২৯৬৬)

► সাফা মারওয়ার সায়ী করার সময়। (বুখারি, হাদিস : ১৫১০, সুনানে কুবরা : ৬৫০৩)

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English