জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে তার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে ওঠা তহবিল সংক্রান্ত আইন ভঙ্গের অভিযোগের বিষয়ে আইনপ্রণেতাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দেশটির কৌঁসুলিরা তাকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত করবেন না বলে ঘোষণা দেন। এর এক দিন পর শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ক্ষমা প্রার্থনা করেন আবে। খবর এএফপির।
জাপানে রাজনৈতিক তহবিল সংক্রান্ত কঠোর আইনের আওতায় রাজনীতিবিদরা তাদের সমর্থকদের জন্য অর্থ ব্যয় করা কিংবা তাদের কোনো রকম উপহার-উপঢৌকন দিতে পারেন না।
শিনজো আবে ক্ষমতায় থাকাকালে তার কার্যালয় সমর্থকদের জন্য ডিনার পার্টির আয়োজন করে সেই পার্টি খরচের বিষয়টি চেপে গেছেন- এমন সন্দেহ থেকে তহবিল আইন ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে সমালোচনারও শিকার হয়েছেন তিনি। এরপর গত বছর ওই অভিযোগ নিয়ে পার্লামেন্টে আবেকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি মিথ্যা বক্তব্য দেন। ওই ঘটনার জন্য শুক্রবার তাকে পার্লামেন্টে তলব করা হয়।
পার্লামেন্টকে শিনজো আবে জানান, সে সময়ে ওই বিষয়ে যা বলেছিলেন, তা মিথ্যা। তিনি ওই ঘটনার ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘অফিস তহবিলের বিষয়টি নিয়ে কী করেছে, সে সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে আমি এ ঘটনার পুরো দায় নিজের বলেই বোধ করছি। এ ঘটনার জন্য গভীরভাবে অনুতপ্ত এবং আইনপ্রণেতাদের কাছে ক্ষমা চাই।’
এর আগে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুরো ঘটনার জন্য রাজনৈতিক দায় আবে নিজের কাঁধে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘হিসাব-নিকাশের বিষয়টি আমার জ্ঞাতার্থে না হলেও আমি আমার নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি।’
গত সেপ্টেম্বরে স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন শিনজো আবে।