প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বাইডের শপথ অনুষ্ঠানের আগে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ট্রাম্পপন্থীরা আবারো সশস্ত্র বিক্ষোভে নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআই। ২০ জানুয়ারির অভিষেককে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ক্যাপিটলে ও ওয়াশিংটন ডিসিতে জড়ো হওয়ার ছক কষছে বলে জানা গেছে।
অভিষেক অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা পরিকল্পনা জোরদারের মধ্যেই সশস্ত্র হামলার বিভিন্ন আশঙ্কা আসছে।
তবে সোমবার জো বাইডেন জানিয়েছেন, তিনি ক্যাপিটলের অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণে ভীত নন।
তিনি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত কমলা হ্যারিস উভয়ই সেখানে শপথ নেয়ার কথা। নির্বাচনের ফলাফলের বিরোধিতা করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের তাণ্ডবলীলার দু’সপ্তাহের মাথায় এ শপথ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এদিকে ৬ জানুয়ারির ঘটনার পুনারাবৃত্তি হবে না বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। কংগ্রেস সদস্যরা নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যয়নের জন্য ভোট দেয়ার সময় ৬ জানুয়ারি হাজার হাজার ট্রাম্প সমর্থক ক্যাপিটলের কমপ্লেক্সের ভেতর ঢুকে পড়ে তাণ্ডব চালায়।
সোমবার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) ভারপ্রাপ্ত প্রধান চাদ ওলফ জানান, তিনি মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে গত সপ্তাহের ঘটনার আলোকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানোর জন্য অভিষেক অনুষ্ঠানের ছয় দিন আগে (বুধবার) থেকেই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানকে সুরক্ষিত করার জন্য ন্যাশনাল গার্ডের প্রায় ১৫ হাজার সৈন্য নিযুক্ত করা হবে।
পরে ক্যাপিটল দাঙ্গার ঘটনায় ট্রাম্পের তৃতীয় মন্ত্রীপরিষদ সচিব হিসেবে বেটসি দেভোস ও এলেন চাওয়ের পর ওলফকেও সরিয়ে দেয়া হয় সোমবার।
ওলফের প্রস্থান তার বিভাগে আলোড়ন সৃষ্টি করেছ। বাইডেনের অভিষেক উপলক্ষে বিভাগটি নিরাপত্তা জোরদার গতিময় করছিল। গত সপ্তাহে ওলফ কংগ্রেসে হামলাকারীদের ‘কঠোরভাবে নিন্দা’ জানানোর আহবান করেছিলেন ট্রাম্পকে।
বিদায়ী এ সচিব বলেন, বর্তমান ঘটনাবলীর ভিত্তিতে তার এ প্রস্থান। এছাড়া তার নিয়োগের আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কোর্টের রুল ছিল।