রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

কোঁকড়ানো চুল সোজা করার উপায়

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৮ জন নিউজটি পড়েছেন

নারীদের সৌন্দর্যের সব থেকে বেশি নজরকারা জিনিসটি হলো তাদের চুল। আর চুলের কথা বললেই মাথায় আসে ঘন কালো, লম্বা, সোজা চুলের। যেকোনো দেশের সিনেমাতে, নাটকে, এমনকি কার্টুনেও যদি লক্ষ্য করা যায় তাহলে চোখে পরে প্রধান চরিত্র গুলোর চুল সবসময় সোজা, আর ভিলেনের চরিত্রে থাকে কোঁকড়ানো চুলের কেউ। যা অনেক কোঁকড়ানো চুলের মেয়েদের হতাশ করে।

অনেকে কোঁকড়ানো চুল থেকে মুক্তির জন্য অনেক টাকা খরচ করেন, ব্যবহার করেন অনেক নামীদামী প্রসাধনী। কিন্তু ফলাফল বরাবরই হতাশাজনক। কারণ এসব প্রসাধনী ব্যবহারে চুলের উপকারের থেকে ক্ষতিটাই বেশি হয়ে থাকে।

কিন্তু ঘরে বসেই তৈরি কিছু মাস্ক নিয়মিত ব্যবহার করলেই কোঁকড়ানো চুল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদিও এই পদ্ধতিটি অনেক ধীরে কাজ করে, তবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এর ব্যতিক্রম নেই।

-ক্যাস্টর অয়েল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বাধিক ভূমিকা রাখে এবং নারিকেল তেল শুষ্ক ও রুক্ষ চুলকে হাইড্রেট করে, ফলে চুল সতেজ হয়। তাই কোঁকড়ানো চুলে এই দুই তেলের সংমিশ্রণ অনেক বেশি কার্যকরী। চুলের জন্য গরম তেলের ম্যাসাজ খুব ভালো কাজ করে। ক্যাস্টর অয়েল এবং নারিকেল তেল একত্রে গরম করে তা নিয়মিত স্ক্যাল্পে ও সম্পূর্ণ চুলে ম্যাসাজ করতে হবে তবেই চুল ধীরে ধীরে সোজা হতে শুরু করবে। চুলে ম্যাসাজ করে তেল কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য একটি তাওয়াল দিয়ে পেঁচিয়ে রাখতে হবে। অতঃপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। কন্ডিশনার অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।

– লেবুর রস চুলকে সিল্কি ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি থাকায় স্ক্যাল্পের খুশকিও রোধ করে ব্যাপক পরিসরে। লেবু এবং ডাবের পানি দিয়ে তৈরি এই মাস্কটি প্রথম ব্যবহারেই অনেক ভালো ফল দিতে পারে। এই হেয়ার মাস্কটি প্রস্তুত করতে, লেবু এবং ডাবের পানিকে একত্রে মিশিয়ে সারা রাতের জন্য রেখে দিতে হবে। সকালে সম্পূর্ণ চুলে অর্থাৎ চুলের আগা থেকে গোঁড়া পর্যন্ত এ মিশ্রণটিকে ম্যাসাজ করে করে লাগাতে হবে এবং কমপক্ষে ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। ৩০ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। আশানুরূপ ফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার ব্যবহার করতে হবে এই হেয়ার মাস্কটি।

– ডিম এবং অলিভ অয়েলের মিশ্রণ চুলকে অনেক ভালো করে কন্ডিশন করে। পাশাপাশি চুলকে সোজা করতেও ভূমিকা রাখে। ডিমে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস ক্ষতিগ্রস্থ চুলকে তার হারানো স্বাস্থ্য ফিরিয়ে দেয় এবং ফ্যাটি এসিড চুলে পুষ্টি যোগায়। এ মাস্কে অবশ্যই উপকরণগুলোকে খুব ভালো করে মেশাতে হবে, কোনো প্রকারের গুটি গুটি দানা থাকা যাবে না। কমপক্ষে ৩০ মিনিট মিশ্রণটিকে চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে শ্যাম্পু করে নিতে হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English