রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন

তাইওয়ানের আকাশে আবার চীনের যুদ্ধবিমান

রিপোর্টারের নাম
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩২ জন নিউজটি পড়েছেন

দ্বিতীয় দিনের মতো চীনের যুদ্ধবিমান আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাইওয়ান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কর্মদিবস শুরুর পর থেকেই চীনের বিমানবাহিনী নতুন করে শক্তি প্রদর্শন শুরু করেছে।

বিবিসির আজ রোববারের খবরে জানা যায়, চীনের ১৫টি বিমান মহড়া দিয়েছে। অভিযানে ১২টি ফাইটার, দুটি অ্যান্টিসাবমেরিন বিমান, একটি অনুসন্ধানী বিমান ছিল। তাইওয়ানের বিমানবাহিনী বলেছে, বিমানগুলোয় নজরদারির জন্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে।

তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্ন প্রদেশ বলে মনে করে চীন। তবে তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র বলে দাবি করে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, তাইওয়ানের প্রতি বাইডেনের সমর্থন কতটা, তা যাচাই করতেই চীন এমন মহড়া দিচ্ছে।

জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানে প্রতিরক্ষা খাতে তারা সহযোগিতা দেবে। চীনা সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

কয়েক মাস ধরে তাইওয়ানের দক্ষিণাঞ্চল ও তাইওয়ান–নিয়ন্ত্রিত প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের মধ্যবর্তী জলসীমার ওপর দিয়ে দিয়ে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে চীন। তাইওয়ান বলছে, এগুলো সাধারণত এক থেকে তিনটি অ্যান্টিসাবমেরিন যুদ্ধবিমান দিয়ে পরিচালিত হয়।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পরমাণু অস্ত্র বহনকারী চীনের আটটি বোমারু বিমান, চারটি ফাইটার জেট ও একটি অ্যান্টিসাবমেরিন বিমান স্থানীয় সময় গত শনিবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিমান প্রতিরক্ষা জোনে ঢুকে পড়ে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেনের অভিষেকের পরেই বিমানের এই মহড়া অনুষ্ঠিত হলো। ধারণা করা হচ্ছে, মানবাধিকার, বাণিজ্য, হংকং ও তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের ওপর চাপ বজায় রাখবে বাইডেন প্রশাসন। এসব ইস্যুকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে।

চীনের সতর্কতা সত্ত্বেও ট্রাম্প প্রশাসন তাইপেইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখেছে। তাইপেইতে অস্ত্র বিক্রি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পাঠানো বজায় রেখেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের দায়িত্ব ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সে দেশ এবং তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন।

১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে চীন ও তাইওয়ানের সরকার আলাদা। তাইওয়ানের আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে বেইজিং। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে।

তাইওয়ানকে অল্প কয়েকটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সঙ্গে তাইপেইয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English