বাংলালিংক আয়োজিত এক সম্মেলনে এ কথা জানান করোনাকালে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার মাধ্যমে প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষ টেলিমেডিসিন নিয়েছে। তাদের এই নেটওয়ার্কিং সেবা ছাড়া প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা কঠিন হয়ে পড়ত। এক্ষেত্রে বাংলালিংকও বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
মোস্তাফা জব্বার জানান, ফাইভ-জি সুবিধা প্রথম পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার হবে। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের রোবট পরিচালনা, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, চাষাবাদ পর্যবেক্ষণসহ সব পর্যায়েই ব্যবহার হবে। সাধারণ মানুষ এই সুবিধার আওতায় আসতে বহু সময় লাগবে।
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০২১ সালে এসে যে পরিমাণ বেড়েছে, তা ২০১৮ সালেও ছিল না জানিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ব্যবসায় কাস্টমারের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে পরিসর বাড়াতে হয়। এ খাতও এমন নীতির বাইরে নয়। এছাড়া দেশে ফোর-জি সুবিধা সম্পূর্ণভাবে পেতে হলে মোবাইলে যে ডিভাইসগুলো থাকতে হয়, সেই ডিভাইসগুলো প্রায় ৬২ শতাংশ মোবাইলে নেই। এতে গ্রাহক পর্যায়েও সেবা পাওয়ার সক্ষমতায় ঘাটতি রয়েছে।
অতি দ্রুত ফোর-জি সেবা সারাদেশে নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তিতে শতশত বছরের পেছনে ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের সাথে এগিয়ে যেতে ফাইভ-জিতে যাচ্ছে দেশ। কারণ, দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক জোন তৈরি করা হচ্ছে, প্রতিটি জোন ও বড় বড় শিল্প পার্কের দ্রুত গতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হবে।