সাইফ হাসানের সেঞ্চুরির পর শামীম হোসেন ও তৌহিদ হৃদয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। নির্ধারিত ৫০ ওভারের ২৭ বল হাতে থাকতেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশকে ভালো সূচনা এনে দিয়েছেন দলের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। তবে ভালো শুরু এনে দিয়েও উদ্বোধনী জুটি বড় হয়নি বাংলাদেশের। সাইফ-তানজিদের ৪৪ রানের জুটি ভাঙেন প্রিটোরিয়াস। দলীয় ৪৪ রানে প্রিটোরিয়াসের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তানজিদ তামিম। সাজঘরে ফেরার আগে ২৮ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলেন এ ওপেনার। তানজিদ আউট হলেও আগ্রাসী ব্যাটিংটাই করেন সাইফ।
তবে সাইফ বেশ আগ্রাসীই ছিলেন। মাত্র ৪৩ বলে ফিফটি হাঁকান এ ব্যাটসম্যান। সাইফের ফিফটির পরই সাজঘরে ফিরেন ২৯ বলে ১৬ রান করা মাহমুদুল হাসান জয়। ডেলানির বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন তিনি।
৯৬ রানে দুই উইকেট পড়লে ইয়াসিরকে সঙ্গে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান সাইফ। তবে এ দুই জনের জুটি বেশিক্ষণ টিকেনি। ইয়াসিরের বিদায়ের পর তৌহিদকে সঙ্গে নিয়ে ধীরে ধীরে বলের সাথে রানের ব্যবধানও কমিয়ে আনতে থাকেন সাইফ।
কাঙ্খিত সেই সেঞ্চুরিটি আসে ৩৬তম ওভারে। ওই ওভারে গ্যারেথ ডেলানির প্রথম দুই বলে ১০ রান দিয়ে শতক পূর্ণ করেন সাইফ। শতক হাঁকানোর পরই ফের আগ্রাসী ব্যাটিং করতে দেখা যায় সাইফকে। তবে তাকে থামতে হয় ব্যক্তিগত ১২০ রানে। ডেলানির করা বলে টাকারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সাইফ। তবে ততক্ষণে জয়ের কাজটা সহজ হয়ে গিয়েছিল তৌহিদ, শামীমের জন্য।
বাংলাদেশের জয়ের কাজটা আরও সহজ করে দেন শামীম। আগের ম্যাচে নেমেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন শামীম। এদিনও নেমেই আগ্রাসী ব্যাটিংই করেন তিনি। শামীমের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন হৃদয়ও। শেষদিকে ৩০ বলে ৬ রানের প্রয়োজন হলে চেজের করা ওভারে তৃতীয় বলে চার মেরে ৬ উইকেট হাতে রেখেই দলকে জয় এনে দেন শামীম। ৪৪ বলে ৪৩ করে অপরাজিত থাকেন হৃদয় এবং ২৫ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন শামীম।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
আয়ারল্যান্ড ২৬০-৭ (ওভার ৫০)
টাকার ৮২*, ক্যাম্পফার ৪৩: মুকিদুল ৩-৫৩
বাংলাদেশ -৪ (ওভার ৪৫.)
সাইফ ১২০, তৌহিদ হৃদয় ৪৩*, শামীম ৪৪* : ডেলানি ২-৫২