রোববার বেলা ৩টার দিকে নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম মোসলেহ উদ্দিন মিজান প্রাথমিক শুনানি শেষে মামলাটি গ্রহণ করেন। একইসাথে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) প্রতিবেদন দিতে আদেশ দেন।
এর আগে দুপুর ১টার দিকে নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
কোম্পানি আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে শ্রমিকলীগকর্মী ও সিএনজি অটোরিকশাচালক আলাউদ্দিন গত ৯ মার্চ রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার গত বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে আসামি তালিকায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ভাই এবং বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নাম থাকায় থানা পুলিশ মামলাগ্রহণ করেনি।
বাধ্য হয়ে মামলার বাদি এমদাদ হোসেন, কাদের মির্জাসহ ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রুজু করেন। দায়েরকৃত মামলাটি আদালত আমলে নিয়ে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এ হত্যার ঘটনায় কোনো নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে কি না- এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিয়েছে।
মামলার বাদিপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে তার ভাই সাহাদাত হোসেন ও ছেলে মাশরুর কাদের তাসিক মির্জাসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪০ থেকে ৫০জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহতের ছোট ভাই মো: এমদাদ হোসেন জানান, ১১ মার্চ বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে প্রধান আসামিসহ ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলার এজাহার দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রধান আসামি আবদুল কাদের মির্জার নাম বাদ না দেয়ায় শনিবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ এজাহারটি রেকর্ড করেনি।