শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন

দুদক কতজনকে ‘দায়মুক্তি’ দিয়েছে, জানতে চেয়েছেন আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২১ মার্চ, ২০২১
  • ৪৭ জন নিউজটি পড়েছেন
দুদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ অবসরে যাওয়ার আগের পাঁচ মাসে অনুসন্ধান থেকে কতজনকে ‘দায়মুক্তি’ দিয়েছেন, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের অনুলিপি প্রকাশ পেয়েছে।

রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের স্বাক্ষর শেষে ১১ পৃষ্ঠার এর আদেশ প্রকাশ পায়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একে এম আমিন উদ্দিন মানিক নিশ্চিত করেন।

আদেশে বলা হয়, ‘দায়মুক্তি’ দিয়ে থাকলে কেন তা দেওয়া হয়েছে, তাদের নাম, ঠিকানাসহ তালিকা আগামী ১১ এপ্রিলের মধ্যে দুদককে দিতে হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, আদেশের বিষয়টি অবগত হয়েছি। আমরা (দুদক) নির্ধারিত দিনের আগেই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবো।

দুদকে ‘অনুসন্ধান বাণিজ্য’- শিরোনামে দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন নজরে আসার পর এর আগে গত ১৬ মার্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবেদককে এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আদালতে দাখিল করতে বলা হয়।

ইকবাল মাহমুদ ২০১৬ সালের ১০ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন। প্রায় পাঁচ বছর তিনি দায়িত্ব পালন করে গত ৯ মার্চ তিনি বিদায় নেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

দুদকে ‘অনুসন্ধান বাণিজ্য’ শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদায়ের আগে ‘দুর্নীতির বহু রাঘব বোয়ালকে’ ছেড়ে দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

‘তাদের দায়মুক্তি আড়াল করতে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেন কিছু নিরীহ ও দুর্বল ব্যক্তিকে। সব মিলিয়ে শেষ ৫ মাসে তিনি ২ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (দায়মুক্তি) দেন। তথ্য নির্ভরযোগ্য সূত্রের।’

‘‘সূত্রটি জানায়, ইকবাল মাহমুদ বিদায় নেওয়ার আগে স্বীয় কৃতকর্মের অনেক দালিলিক প্রমাণই যথাসম্ভব ‘নিশ্চিহ্ন’ করে যান। এর পরও এ প্রতিবেদকের হস্তগত হয় বেশকিছু নথি। সে অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই শতাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন। ’’

‘‘সূত্রমতে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলো সত্যিকারার্থে অনুসন্ধান হয়নি। হয়েছে অনুসন্ধান-বাণিজ্য। কথিত ‘নথিভুক্তি’ কিংবা ‘অনুসন্ধান পরিসমাপ্তি’র নেপথ্যে রয়েছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন।’’

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English