২০ বছর আগে শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সাবেক পিপি ও আওয়ামী লীগ হাবীবুর রহমান এবং তার ভাই মনির হোসেন হত্যা মামলায় ছয়জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২১ মার্চ) দুপুরে শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত হোসাইন এই রায় দেন। এ মামলায় সাতজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং ৩৯ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শহীদ কোতোয়াল, শহীদ তালুকদার, সোলায়মান সরদার, সফিক কোতোয়াল, শাহিন কোতোয়াল ও মজিবুর তালুকদার।
হাবীবুর রহমানের ছেলে জেলা জজ আদালতের এপিপি ও পৌরসভার মেয়র পারভেজ রহমান বলেন, বাবা ও চাচার হত্যার বিচারের রায়ে খুশি হইনি। যাদের বিরুদ্ধে বাবা ও চাচা হত্যার প্রমাণ রয়েছে তাদের অনেকেই খালাস পেয়েছেন। এজন্য উচ্চ আদালতে আপিল করবো।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, আদালত যে রায় দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।
সংসদ নির্বাচনের উত্তেজনার মধ্যে ২০০১ সালের ৫ অক্টোবর নিজ বাসভবনে শরীয়তপুরের জেলা জজ আদালতের সাবেক পিপি হাবীবুর রহমান এবং তার ভাই মনির হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হাবীবুর রহমানের স্ত্রী জিন্নাত রহমান বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আওরঙ্গসহ ৫৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে আওরঙ্গের নাম বাদ দিয়ে ২০০৩ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলার বাদী তখন আদালতে নারাজি দেন। ওই আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত।
হাবীবুর রহমান তখন আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মনির হোসেন ছিলেন পৌরসভা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।