আট বছর আগেই আইসিসি চেষ্টা করেছিল ক্যালেন্ডারে প্রতিবছর অন্তত একটি করে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট চালু করতে। তাতে কোষাগার যেমন ফুলেফেঁপে উঠত, একই সঙ্গে বেশ কিছু দল আরও বেশি উৎসাহ পেত। কিন্তু আইসিসির সেই মাস্টারপ্ল্যান সেবার ভেস্তে যায় তথাকথিত ‘বিগ থ্রি’র কারণে। ভারত, অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ড চেয়েছিল যেহেতু তাদের ম্যাচগুলোর বাজারমূল্য ভালো, সেহেতু তারা তিন দেশ মিলে সঙ্গে কখনও দক্ষিণ আফ্রিকা আর নিউজিল্যান্ডকে নিয়ে বছর বছর কোনো ‘সুপার সিরিজ’ আয়োজন করতে।
সেবার ওই তিন দেশের প্রবল আপত্তির মুখে পিছু হটতে হয় আইসিসিকে। তবে এবার আর সেটা হয়নি। অলিখিত সেই ‘বিগ থ্রি’ জোট আর নেই, তাদের আর্থিক অবস্থাও আগের মতো নেই। শেষ পর্যন্ত তাই আইসিসি সেই ‘মাস্টারপ্ল্যান’ কাজে লাগাতে পেরেছে।
মঙ্গলবার দুবাইয়ে আইসিসির বোর্ডসভা শেষে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর একটি করে বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট হবে। আট বছরের চক্রে টুর্নামেন্ট যেমন বাড়ানো হয়েছে, তেমনি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যাও উল্লেখজনকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলা হবে ১৪ দল নিয়ে, টি২০ বিশ্বকাপ হবে ২০ দল নিয়ে।
তবে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করা হবে নয়টি দল নিয়েই। আইসিসির এই বৈশ্বিক ক্যালেন্ডারে শুধু বিশ্বকাপ সুপার লিগ নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে নতুন সূচিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২০১৭ সালে সর্বশেষ এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়িয়েছিল। এরপর ২০২৫ ও ২০২৯ সালে মাঠে গড়াবে এই আসর। বিশ্বকাপ আসরেও ফিরিয়ে আনা হয়েছে সুপার সিক্স পর্ব।