বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৬ অপরাহ্ন

ব্যাংক লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা বাড়ল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ৫২ জন নিউজটি পড়েছেন
ব্যাংক লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা বাড়ল

সরকার ঘোষিত চলমান কঠোর লকডাউনে ব্যাংক লেনদেনের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে জানানো হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের রোধে সরকারি বিধিনিষেধের মেয়াদ ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ৩০ জুন জারি করা ডিওএস সার্কুলার লেটারে কিছুটা পরিবর্তন এনে নতুন এ চিঠি দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ছাড়াও ১১ জুলাই রোববার ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ৮ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। লেনদেন পরবর্তী কাজ গোছানোর জন্য ব্যাংক খোলা রাখা যাবে বেলা ৪টা পর্যন্ত।

সার্কুলারে আরও জানানো হয়, আগের চিঠির উল্লেখিত বিভাগ/শাখাগুলো ছাড়াও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করে ব্যাংক তার নিজস্ব বিবেচনায় সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে। এছাড়া আগের চিঠির অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এর আগে সপ্তাহে চারদিন ব্যাংক খোলা রাখার (শুক্র, শনি ও রোববার বন্ধ) নির্দেশনা দিয়ে ৩০ জুন সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সার্কুলারে বলা হয়, প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান শাখা, সব বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এবং জেলা ও উপজেলা সদরে একটি করে শাখা খোলা রাখতে হবে। এসব শাখায় প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত লেনদেন করা যাবে। লেনদেন পরবর্তী কাজ গোছানোর জন্য খোলা রাখা যাবে বেলা ৩টা পর্যন্ত।

নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসহ সব শাখা যথাসম্ভব সীমিত লোকবল নিয়ে খোলা রাখতে হবে। আর কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সব এটিএম বুথে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের প্রধান শাখা ও সকল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা খোলা রাখতে হবে। প্রত্যেক ব্যাংকের জেলা সদরে একটি করে শাখা খোলা থাকবে। আর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের প্রত্যেক উপজেলা সদরে একটি করে এবং অন্য ব্যাংকে জেলা সদরের বাইরে অনধিক দু’টি শাখা খোলা রাখা যাবে। বন্দর এলাকায় অবস্থিত শাখা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সার্বক্ষণিক খোলা রাখা যাবে। বন্ধ শাখার গ্রাহকদের খোলা রাখা শাখা থেকে লেনদেন সুবিধা দিতে হবে। এ বিষয়ে বন্ধ শাখার সামনে দৃশ্যমান স্থানে নোটিশ টানাতে হবে। ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কর্মকর্তা-কর্মচারিদের আনা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved © vira-l.com 2017-2022
themesba-lates1749691102
Bengali English