খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৩২ জনের। এ নিয়ে বিভাগে শনাক্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার ও মৃত্যু ১ হাজার ৪০০ ছাড়াল।
গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০০ জনের করোনা শনাক্ত এবং সর্বোচ্চ ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। গতকালের চেয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু কিছুটা কমেছে। তবে কম নমুনা পরীক্ষাতেও শনাক্তের হার বেড়েছে। খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৭৯৩টি, জিন এক্সপার্টে ১৩০টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ২ হাজার ৮৬৩টিসহ মোট ৪ হাজার ৭৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আগের দিনের চেয়ে ১ হাজার ৫টি নমুনা কম পরীক্ষা হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৩২ দশমিক ৮১ শতাংশ।
এ নিয়ে বিভাগে করোনা সংক্রমিত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৬। বিভাগে করোনা শনাক্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭ হাজার ৫৩১। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮০৬ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৪৪ হাজার ১৮৪ জন। গত বছরের ১৯ মার্চ বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়।
বিভাগে মোট শনাক্ত রোগী থেকে সুস্থ হওয়া ও মৃত রোগী বাদ দিলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৯৩১ জন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১ হাজার ২৭২ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, করোনায় মারা যাওয়া সর্বশেষ ৫১ জনের মধ্যে খুলনার ২১ জন, কুষ্টিয়ার ১০ জন, যশোরের ৬ জন, চুয়াডাঙ্গায়, ঝিনাইদহ, নড়াইল এবং মাগুরায় ৩ জন করে, বাগেরহাট ও মেহেরপুরে ১ জন করে রয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যশোরে শনাক্ত হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৫২ জন। এ ছাড়া খুলনায় ৩৩৮ জন, বাগেরহাটে ১৩৫ জন, সাতক্ষীরায় ৮৬ জন, নড়াইলে ৯৩ জন, মাগুরায় ৬৮ জন, ঝিনাইদহে ১৪৪ জন, কুষ্টিয়ায় ২৩২, চুয়াডাঙ্গায় ১৯১ জন এবং মেহেরপুরে ৯৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকেই আছে। কিছুদিন ধরে শনাক্ত, মৃত্যুসংখ্যা বেড়ে গেছে। তবে ভালোর দিকেই যাবে, সেই আশাতেই আছি। সব ধরনের চেষ্টাও করে যাচ্ছি।’