করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মুখে অবশ্যই তিন স্তরবিশিষ্ট মাস্ক পরতে হবে। কাপড়ের মাস্ক পরলে সেটি সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে বারবার পরা যাবে। তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল মাস্ক পরা উচিত।
নিয়মিত ভালো একটি টুথপেস্ট দিয়ে অবশ্যই দাঁত ব্রাশ করতে হবে। শুধু ব্রাশ করলেই হবে না বরং এসেনশিয়াল অয়েল মাউথওয়াশ, পভিডন আয়োডিন মাউথওয়াশ অথবা হালকা গরম লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করতে হবে। হালকা গরম লবণ পানির মাউথওয়াশ সারা পৃথিবীর সেরা কসমেটিক মাউথওয়াশ।
মাউথওয়াশ করোনাভাইরাসের তীব্রতা কমিয়ে দিতে সাহায্য করে থাকে। হাত ঠিকমতো পরিষ্কার না করে অথবা স্যানিটাইজ না করে মুখে হাত দিবেন না। হাত দিয়ে নিজে নিজে কোনো দাঁত দেখতে যাবেন না। কারো মুখের সামনে গিয়ে কথা বলবেন না বা কেউ কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে চলুন। অট্টহাসি হাসবেন না। কারণ কথা বলার সময় অথবা অট্টহাসির সময় মাইক্রোড্রপলেট বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে, যা সহজেই অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে যদি তারা যথাযথভাবে সুরক্ষিত না থাকে। আপনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও আপনার মুখের স্বাদ চলে যায়।
এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শানুযায়ী কিছু ওষুধ এবং সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। জিহ্বা খুব বেশি তিতা লাগলে মাঝে মাঝে ডাবের পানি খাবেন। টক এবং সাইট্রাস ফল খেতে হবে। মৌসুমি ফল অবশ্যই খাবেন। তবে কিডনি রোগীদের আপেল ও নাশপাতি ছাড়া অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। করোনা আক্রান্ত হলে দাঁতের খুব জরুরি চিকিৎসা ছাড়া অন্য চিকিৎসা না করাই ভালো। কারণ চিকিৎসা চলাকালীন ভাইরাস বিস্তার লাভ করতে পারে। দাঁতে যেন কোনো পেরিওডন্টাল পকেট না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।