সাভারে পাওনা টাকা চাওয়ায় ইটভাটার এক শ্রমিককে গাছে সঙ্গে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মো. আলাউদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে আলাউদ্দিনকে সাতদিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএফএম সায়েদ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদি আতাউর রহমান ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগড়াকান্দা এলাকার এবিসি ইটভাটায় লেবার সর্দার আলাউদ্দিনের সঙ্গে সাড়ে সাত হাজার টাকা চুক্তিতে কাজ করেন। শুক্রবার সকালে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে আতাউরকে স্থানীয় মাহবুরের বাড়ির সামনে ডেকে নেয় আলাউদ্দিন। এসময় আলাউদ্দিনের নির্দেশে তার দুই সহযোগী ওয়াহিদ ও শহিদ আতাউরকে পাশের একটি বাগানের ভিতরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। একই সময় জুয়েল নামে অপর সহযোগী আতাউরের বাড়িতে গিয়ে আতাউরকে পুলিশ বেঁধে রেখেছে জানিয়ে তার স্ত্রীকে কৌশলে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসেন। পরে তারা দুপুরের দিকে ওই গৃহবধূকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
এঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী চারজনকে আসামিকে করে শনিবার সকালে সাভার মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ দ্রুত বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে এবং লেবার সর্দার আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
মামলার অভিযুক্তরা হলেন- ভাকুর্তা ইউনিয়নের মোগরকান্দা এলাকার মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ওয়াহিদ (৩০), লালমনিরহাট জেলা সদরের উমাপতি হরনারায়ন গ্রামের মমিনুল হকের ছেলে জুয়েল (২০), কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানার মইদাম গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন (৪০) ও সহিদুর রহমান (৪০)।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএফএম সায়েদ জানান, ভুক্তভোগী ওই নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।