নোয়াখালীতে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।
তিনি বলেন, ওই দিন সুস্থ হয়েছে ৪৬ জন। এনিয়ে নোয়াখালী জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৮০৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জন ও সর্বমোট সুস্থ হয়েছেন ১৮৮৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট জেলায় নমুনা প্রেরণ ১৩ হাজার ৯২৮ জন এবং ১৩ হাজার ৬০৩ জনের ফলাফল এসেছে।
তিনি আরো বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জনকে মাইজদী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে অস্থায়ী করোনাভাইরাস হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। নিজ নিজ বাড়ীতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৮৬৮ জন।
নোয়াখালীর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উপজেলা ভিত্তিক তথ্য হচ্ছে সদর উপজেলায় ৮০৬ জন , বেগমগঞ্জে ৭৩৭ জন, চাটখিলে ১৫২জন, সোনাইমুড়ীতে ১৫২জন, কবিরহাটে ৩৩৩ জন, কোম্পানীগঞ্জে ২১০জন , সেনবাগে ১২৮জন, হাতিয়ায় ৯৩ ও সুবর্ণচরে১৯৮ জন।
……………
নোয়াখালীতে নিখোঁজের ১০ দিন পর নারীর লাশ উদ্ধার
নোয়াখালী সংবাদদাতা
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে স্বামী পরিত্যক্ত এক নারীর গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারী গত ১০ দিন ধরে তার বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল। বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাদীতলা এলাকার ভাইয়া মিয়ার নতুন বাড়ির পেছনের একটি ডোবা থেকে এ লাশটি উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক এ হত্যাকাণ্ডের কোন কারণ জানাতে পারে নি।
নিহত পরানী (৪০) নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আক্কাস আক্তারের মেয়ে। সে ৫ সন্তানের জননী ছিল।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত পরানী স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়ে গেলে গত ৫-৬ বছর বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এক পর্যায়ে সে গত ১২ জুলাই বাবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল। পরে এ ঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী (জিডি) করেন।
তিনি আরো জানান, আজ সকালে স্থানীয় এক বাসিন্দা ঘাস কাটতে গিয়ে মরদেহটি ডোবায় দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। ময়নাতদন্ত শেষে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।