ভারতে ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মামলায় শুক্রবার সিবিআইয়ের একটি বিশেষ আদালত অভিযুক্ত বিজেপির প্রবীণ নেতা এল কে আদভানির বক্তব্য রেকর্ড করেছেন।
সিআরপিসির ৩১৩ ধারা অনুসারে লাখনৌও আদালতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৯২ বছরের এই প্রবীণ ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টারের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার, বিজেপি আরেক প্রবীণ নেতা মুরলি মনোহর যোশীও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাবরি মসজিদ মামলায় বিশেষ জজ এস কে যাদবের আদালতে হাজির হন।
একই মামলার আসামি রাম চন্দ্র খাতরিয়া ও শিবসেনার সাংসদ সতীশ প্রধানও যথাক্রমে মঙ্গলবার ও বুধবার তাদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত আসামিরা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আদালত সিআরপিসির ৩১৩ ধারা অনুসারে মোট ৩২ জন আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করছেন। তবে অভিযুক্তরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করতে চাইলে আদালতে আপিল করতে পারবেন।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ৩১ আগস্টের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করতে আদালত দিনব্যাপী শুনানি চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে গত সোমবার আসামি সুধীর কাক্কাদের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়। অন্য আসামিদের মতো কাক্কাদও দাবি করেছেন তিনি নির্দোষ ও তৎকলীন কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার রাজনৈতিক কারণে তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে বলে তার দাবি।
‘কর সেবকরা’ ১৯৯২ সালে ডিসেম্বরে অযোধ্যার বাবরি মসজিদটি ভেঙে দেয়। তাদের দাবি ছিল প্রাচীন রাম মন্দিরের স্থানে মসজিদটি অবস্থিত। সেই সময়ে রাম মন্দির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন আদভানি ও যোশি।
অযোধ্যায় রাজনৈতিক ও সংবেদনশীল বাবরি মসজিদ ভূমি বিবাদ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট গত বছরের নভেম্বরে সর্বসম্মতভাবে রাম মন্দির ট্রাস্টকে এই বিতর্কিত জমি হস্তান্তর করে। আর আদালত সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে মসজিদের ক্ষতির জন্য অযোধ্যাতে উপযুক্ত ৫ একর জমি মঞ্জুর করেন।