করোনা ভাইরাসের কারণে নারী উদ্যোক্তারা বড় সমস্যায় পড়েছেন। কারও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, কারও বিক্রি কমে গেছে। ব্যাংক ঋণ ছাড়া এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব না। এ জন্য সহজ শর্তে তাদের
কাজেমী ভাইয়ের এভাবে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আজও বিকেলে ভাবীর সাথে কথা বলে জানলাম তাঁকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে এবং তিনি কথা বলছিলেন। পাঁচটার একটু বাদে তিনি সবাইকে
করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের অস্বাভাবিক ব্যয় বেড়েছে। সামনের দিনগুলোয়ও এ বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। এমন পরিস্থিতি সামলে নিতে আগামী ৩ অর্থবছরে (২০২০-২৩) শুধু ভ্যাট থেকে ৬ লাখ কোটি
করোনা পরিস্থিতিতে স্থবির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। ফলে প্রকল্পের বিপরীতে বৈদেশিক অর্থ ব্যয়ে করুণ অবস্থা বিরাজ করছে। চলতি অর্থবছরের ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো খরচ করতে পেরেছে বরাদ্দের অর্ধেক। সংশোধিত
দেশের কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রাপ্তি বর্তমানে অনেক বেশি দুষ্প্রাপ্য হয়ে উঠেছে। ব্যাংক খাতে ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ বেঁধে দেওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে চাইছে না।
করোনা মহামারির ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে থমকে গেছে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। দীর্ঘ ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটির পর কলকারখানা ও অফিস খুললেও স্বাভাবিক হয়নি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা। এ অবস্থায় বিশাল ক্ষতির ধাক্কা
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মানুষের জীবন বাঁচাতে করোনা মোকাবিলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারও বিষয়টি চ‚ড়ান্ত বাজেটে বিবেচনা করার চিন্তা করছে।
সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে বড় অঙ্কের অর্থ থাকার হালনাগাদ পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। ২০১৯ সাল শেষে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশের নামে রয়েছে ৬১ কোটি ৩২ লাখ সুইস ফ্রাঁ।
হঠাৎ ব্যাংকব্যবস্থা থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। প্রায় ৮০ হাজার কোটি থেকে কমে বর্তমানে তা ৬২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় বিভিন্ন
করোনা ভাইরাসের প্রভাব বিশ্বের সব জায়গায় পড়েছে। ফলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম এ খাতও হুমকিতে পড়েছে। প্রবাসী শ্রমিকদের উপার্জন নেই। অনেকে দেশে ফিরেছেন। আর যারা ফিরতে পারেননি তারাও ঘরবন্দি