বিদায়ী বছরে ৭৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ মন্দাটা দেখেছে বিশ্ব অর্থনীতি। গত বছরের শুরুতে যেসব পূর্বাভাস এসেছিল, বলা যায় তার কোনোটায় ফলেনি করোনা নামক ভাইরাসের কারণে। অর্থনীতির অভূতপূর্ব ক্ষতি দেখেছে
করোনায় বিশ্ব অর্থনীতি ছিল টালমাটাল। কাঁচামাল সংকটে পড়ে বাংলাদেশ। গত বছরের শেষদিকে চীনের উহান প্রদেশ থেকে বিশে^ ছড়িয়ে পড়ে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। এ ভাইরাসের প্রভাবে চলতি বছরের শুরু থেকেই বিশ্ব
করোনা ভাইরাসের বিস্তারে মধ্যেও মানুষের মধ্যে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ছে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার এ খাত থেকে মোট ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছিল। কিন্তু জুলাই থেকে
গেল বছর নানা কারণে সরকারি খাদ্য মজুদের পরিমাণ তলানিতে ঠেকে। আপদকালীন মজুদ যেটুকু থাকার কথা তাও ছিল না সরকারি গুদামে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে ইচ্ছেমত ধান-চালের দাম
উদীয়মান বাঘ হিসেবে চিহ্নিত বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিও ঈর্ষণীয়। বিশে^র কাছে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হচ্ছে মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু। এর সঙ্গে রেল সংযোগ প্রকল্পের
খাতুনগঞ্জের আড়ত পেঁয়াজে ভর্তি। কিন্তু ক্রেতার অভাবে বেচাকেনায় স্থবিরতা বিরাজ করছে। পাইকারিতে প্রতি কেজিতে ৮-১০ টাকা করে কমে গেছে। লোকসান নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিক্রেতারা জানান, মজুত থাকা পেঁয়াজ নিয়ে
করোনার ধাক্কায় নড়বড়ে দেশের অর্থনীতি। ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি নেই। নতুন করে ১০ শতাংশের বেশি মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে চলে এসেছে। অর্থনীতির মৌলিক সূচকগুলোর মধ্যে রেমিটেন্স ছাড়া সব নিম্নমুখী। এ অবস্থায় করোনার
দোকানে সাজিয়ে রাখা ফুলে পানি স্প্রে করে সেগুলোকে তাজা রাখছেন বনানীর দোলনচাঁপা ফুলবিতানের বিক্রয়কর্মী মো. পলাশ। লক্ষ্য একটাই, তাজা ফুল ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া। পাশাপাশি নিজের বিক্রি বাড়ানো। কর্মী হিসেবে
বিদায়ী বছরটি ছিল বিশ্বের মানুষের জন্য একেবারেই ভিন্ন। করোনা নামক এক ভাইরাসের ছোবলে জীবিকা হারিয়েছে কোটি কোটি মানুষ। আবার ঘরে থেকে সরকারি প্রণোদনা নিয়ে বাঁচতে হচ্ছে অনেককে। তবে এর মাঝেও
এ বছর ধানের উৎপাদন কম হওয়ায় ঘাটতি পূরণ করতে ভারত থেকে কয়েক লাখ টন চাল আমদানি করবে বাংলাদেশ। ভারতের সাথে এখন পর্যন্ত আড়াই লাখ টন রফতানির চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। এর