ঐতিহাসিকদের সর্বসম্মত কথা হল, আরব বণিকদের মাধ্যমেই এদেশে ইসলাম এসেছে। তবে ইসলাম প্রচারকদের আগমনের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে বেশ কথা থাকলেও বিশুদ্ধ মত হল মহানবী (সা.) জীবিত থাকা অবস্থায়ই এদেশে ইসলামের
জীবন ধ্বংসকারী একটি মারাত্মক স্বভাব হলো অহংকার। এই স্বভাবের লোকেরা তাদের উন্নতি ও সফলতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারে না। আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষদের ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে তারা। তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠান,
দান সম্পর্কে মহান রাব্বুল আল আমিন অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে রূপক অর্থে আমাদের জন্য কয়েকটি উদাহরণ হিসেবে আয়াত পেশ করছেন সূরা আল বাকারায়। প্রথমত. যারা আল্লাহর পথে ব্যয় করে, অর্থাৎ হজ, জিহাদ,
কিভাবে জান কবজ হয়—এ বিষয়ে একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। সংক্ষিপ্তভাবে সেই হাদিস তুলে ধরা হলো— বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, নিশ্চয়ই ঈমানদারের যখন দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে পরকালের
আহলে বাইত পবিত্র কোরআন ও হাদিসে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে। একটি হল আহল আর অপরটি বাইত। দুটি শব্দই আরবি ভাষা থেকে এসেছে। আহল শব্দটির অর্থ পরিবার, পরিজন, অপানজন, জ্ঞাতি,
কবরের আজাব সত্য। এ বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে বিস্তারিত দলিল-প্রমাণ রয়েছে। কবরের জীবন মূলত বরজখি জীবন। আর বরজখ হচ্ছে দুনিয়া ও আখেরাতের মাঝে ব্যবধান সৃষ্টিকারী মৃত্যু থেকে পুনরুত্থান পর্যন্ত সময়।
হাদিস শরিফে এসেছে, ঈমানের ৭৭টি শাখা-প্রশাখা রয়েছে। এর প্রথমটি হলো (কলেমা তাইয়্যেবাহ) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।’ [আল্লাহ ছাড়া মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ তাআলার রাসুল]। আর ঈমানের সর্বশেষটি হলো
অনেকের ধারণা, সব মানুষের রুহ কবজ করেন আজরাইল (আ.)। কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়। রুহ কবজ করার প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতা হলেন মালাকুল মাউত। কিন্তু তাঁর সহযোগী বহু ফেরেশতা আছেন। তাঁরা
আল্লাহ তায়ালার এ পৃথিবীতে আদি পিতা হজরত আদম আ: থেকে এখন পর্যন্ত বহু লোকের আগমন ঘটেছে। মানবের এ ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। এ আকাশের নিচে ও জমিনের উপরে কত ধরনের মানুষ,
ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিভাষা হলো তাওবা। তাওবার বিনিময়ে মহান রাব্বুুল আলামিন তাঁর বান্দাদের পাপ মোচন করেন। এটি মহান আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। এর মাধ্যমে কৃত গুনাহ থেকে পবিত্র হওয়া যায়। পবিত্র