জিলহজের প্রথম দশ দিন মুমিনের জন্য আল্লাহর বিশেষ উপহার। এই দশ দিনের আমল আল্লাহর কাছে বছরের অন্যান্য দিনের আমলের চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। করোনার এই দুর্যোগকালে নির্ভয় ও নিঃসংকোচে মসজিদে বা
কোরবানির জন্তু—উট, গরু, মহিষ, দুম্বা, ভেড়া ও ছাগল দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। অন্য জন্তু দ্বারা কোরবানি নাজায়েজ। ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে এক বছর পূর্ণ হতে হবে, গরু-মহিষ দুই বছর
একাধিক পরিবারের শরিকে কোরবানি বৈধ। এটি কোরআন-সুন্নাহ ও ফিকহের দলিল-প্রমাণের আলোকে মীমাংসিত একটি বিষয়। এটি হাজার বছর ধরে মুসলিমসমাজে অনুসৃত হয়ে আসছে। ইদানীং কিছু ভাই (হাতে গোনা দু-একজন) বলতে শুরু
ঈদুল আজহা ও কোরবানি মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহৎ জাতীয় উৎসব। জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় এ উৎসব। কোরবানি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্যতম। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিবছর কোরবানি
(মুহাম্মদি আইয়ুব সুরুতির উর্দু রচিত বই ‘ক্বালাবুল সালাম’-এর ইংরেজি ‘অ ঝড়ঁহফ ঐবধৎঃ’ থেকে বাংলা অনূদিত। অনুবাদ করেছেন ফাতিমা আজিজা।) ‘যেদিন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি কোনো কাজে আসবে না’; সেদিন উপকৃত হবে
এবার হজ হচ্ছে খুব সীমিত পরিসরে। একেবারেই ভিন্ন পরিস্থিতি, ভিন্ন চিত্র। এমন হজ আগে কখনও দেখেনি বিশ্ব। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এবার পবিত্র হজের সব আনুষ্ঠানিকতাই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর। করোনার সংক্রমণ ও
কবি মতিউর রহমান মল্লিকের লেখা জনপ্রিয় একটি ইসলামী গানের আলোকেই আজকের এই লেখার সূত্রপাত। শুরুতেই দেখে নেই গানের লিরিকে কি আছে? এই গানটি মনোযোগসহকারে শিল্পীর কণ্ঠে শুনলে আপনার হৃদয় কেঁপে
ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানুষের জীবন চলার যাবতীয় আশয়-বিষয় ইসলামে রয়েছে। মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রসহ অন্যান্য সব সমস্যার সমাধান দিয়েছে ইসলাম। তাই ইসলাম কূটনৈতিক ব্যবস্থারও বাইরে নয়।
ইতিহাসসচেতন ব্যক্তিরা জানেন, সব যুগের মানুষেরই তার সময়ের প্রতি অভিযোগ ছিল। তবে সব যুগেই এমন মানুষ ছিলেন, যাঁরা মানবতার মৃতদেহে প্রাণসঞ্চার করেছিলেন এবং নিজের কীর্তি দ্বারা প্রমাণ করেছেন—যাদের কিছু করার
এ বছর পবিত্র হজের খুতবা দিবেন শায়খ আবদুল্লাহ বিন সুলাইমান আল মানিয়া। চলতি বছর হজের খুতবার জন্য তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ