দুনিয়াতে কর্মের প্রতিদান দেয়ার নীতি কোনো না কোনোভাবে চালু থাকলেও কাজের পূর্ণ প্রতিফল মিলবে আখিরাতে। আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা প্রত্যেকের কাজ অনুযায়ী পূর্ণ শান্তি ও শাস্তি প্রদান করবেন আখিরাতে। পরীক্ষায়
আল্লাহ তাআলা মানুষকে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন ভালো-মন্দের পরীক্ষার জন্য। ভালো কাজের জন্য থাকবে চিরস্থায়ী পুরস্কার ও মন্দের জন্য থাকবে চিরস্থায়ী শাস্তি। মৃত্যুর পরের জীবনের প্রস্তুতি সম্পন্নের জন্য দুনিয়ায় পাঠানো হয়
সুপারিশ মানুষের নৈতিক মূল্যবোধের পরিচায়ক। আমাদের জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। সুপারিশ করা, কারো জন্য মধ্যস্থতাকারী হওয়া, কারো প্রয়োজন সমাধা করার জন্য অন্যের কাছে আবেদন করা একটি সামাজিক আমল। সব এলাকা
মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত ও তাঁর দাসত্ব। আর দাসত্ব প্রকাশের অন্যতম পন্থা হচ্ছে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করা। এ দোয়ার মাধ্যমে মহাপরাক্রমশালী মালিকের সঙ্গে একজন
জিলহজ মাস ঐতিহাসিক ও ইসলামী শরিয়ত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালার বিধান অনুসারে যে চারটি মাস পবিত্র ও সম্মানিত, তার একটি হলো জিলহজ মাস। আর আল্লাহ
পৃথিবী আজ থমকে গেছে। সুনসান নীরবতা। যে পৃথিবীকে গ্লোবাল ভিলেজ বলা হতো তা আজ বিচ্ছিন্ন। এক দেশ থেকে আরেক দেশের ফ্লাইট বন্ধ। স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি বন্ধ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। বন্ধ
সৃষ্টিকুলের ভেতর মানুষকে শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে তার জ্ঞানার্জনের ক্ষমতার জন্য। সমস্ত প্রাণীর ভেতর একমাত্র মানুষই জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে নিত্যনতুন বস্তু ও চিন্তা সৃজনের বা উদ্ভাবনের ক্ষমতা রাখে। মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য
দুনিয়ায় আল্লাহর মনোনীত কিছু ঘর আছে, যেখানে বান্দা মহান আল্লাহর কুদরতি পায়ে সিজদাবনত হয়; আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে। সেখানে প্রবেশ করলে মুমিনের মন আল্লাহর ভালোবাসার সৌরভে প্রশান্ত হয়ে যায়। সেখানে
কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি ইসলামের নিদর্শন। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির এ কঠিন সময়ে কিভাবে কোরবানি আদায় করা যেতে পারে, সে সম্পর্কে লিখেছেন ড. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার কোরবানির বিধান ইসলামে
আল্লাহ তায়ালা হজরত আদম আ: থেকে শেষনবী সা: পর্যন্ত বহু শক্তিশালী জাতি পৃথিবীতে প্রেরণ করেন। যেমন- হজরত নুহ আ:-এর জাতি, ইবরাহিম আ:-এর জাতি, হজরত মুসা আ:-এর জাতি তুব্বা, আদ, সামুদ,