ইসলামের ইতিহাসে ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র। হারিয়ে যাওয়া ইসলামী খেলাফতের সোনালি যুগ ফিরিয়ে আনেন তিনি। তাই তাঁকে বলা হয় ইসলামের পঞ্চম খলিফা ও দ্বিতীয় ওমর। তিনি
‘বলুন, আমাদের জন্য আল্লøাহ যা লিখেছেন তা ছাড়া আমাদের জন্য কিছু ঘটবে না। তিনি আমাদের অভিভাবক আর আল্লøাহর ওপরই মুমিনদের নির্ভর করা উচিত।’ (সূরা আত-তাওবাহ : ৫১) এই কথাগুলো যদি
মানবসৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে কোরবানি চলে এসেছে। সূরা মায়েদা ২৭ নম্বর আয়াতে আল্লøাহপাক আদম আ:-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের কোরবানি পেশের কথা বলেছেন। সেখানে একজনের কোরবানি কবুল হওয়ার কথা উল্লেøখ
সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, হাসি-কান্না নিয়েই জীবন। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনও এই চিরাচরিত নিয়মের বাইরে ছিল না। তাঁকেও সুখ-দুঃখের মধ্য দিয়ে জীবন পার করতে হয়েছে। তাঁর জীবনের একটি বছরকে দুঃখের বছর বলা হয়।
ইসলাম জীবন্ত ধর্ম এবং জাগ্রত-চেতন মানুষের মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত। আর ইসলামের জন্য জাগ্রত-চেতন মানুষেরই প্রয়োজন। আল্লাহ ইসলামের জন্য এই নীতি নির্ধারণ করেছেন যে, সব সময় তাঁর জন্য জাগ্রত চেতনাসম্পন্ন মানুষ
নবুয়াতের দশম বছর, শাওয়াল মাস, হাবিবে রব তখন তায়েফের পথে। দ্বীনের দাওয়াতের কাজে রাসূল সা: ১০ দিন সেখানে অবস্থান করেন। রাসূল সা: এই সময় তায়েফের নেতৃস্থানীয়দের কাছে একত্ববাদের দাওয়াত পেশ
সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা: বর্ণনা করেন, বিদায় হজের বছর আমার কঠিন অসুখ হয়েছিল। রাসূল সা: আমাকে দেখতে এলেন। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আমার অসুখের অবস্থা তো দেখতে পাচ্ছেন।
হুকুকুল ইবাদ তথা বান্দার হক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইসলাম সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। যার নজির অন্য কোনো ধর্মে নেই। এক মুসলমানের জিম্মায় আরেক মুসলমানের অনেক হক অবধারিত। অন্যতম সাত হক বিশেষভাবে হাদিসে
প্রযুক্তির উৎকর্ষ পৃথিবীকে অনেক দূর এগিয়ে নিচ্ছে। দিন দিন সহজ হচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। কিয়ামতের আগে পৃথিবী কতটা উন্নত হবে, তা অনুমান করা দুষ্কর। তবে রাসুল (সা.)-এর কিছু হাদিস থেকে বোঝা
ভুলে যাওয়া আওন ইবনু সাল্লাম আল কুফী রহ: ….. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রা: থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সা: কোনো এক সালাত আদায় করতে পাঁচ রাকাত পড়লেন। আমরা তাকে